করোনার প্রভাব উপেক্ষা করে প্রায় আড়াই লাখ চাষী ভূট্টা তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন

0

করোনার প্রভাব উপেক্ষা করে চুয়াডাঙ্গায় প্রায় আড়াই লাখ চাষী ভূট্টা তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছরের তুলনায় দাম বেশি পাওয়ায় কৃষক বেশ খুশি। তবে, পরিবহন সংকটের কারণে ভূট্টা বিক্রি কম হচ্ছে বলে জানান, আড়তদাররা। এদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ে গত বছরের তুলনায় প্রায় নয় হাজার হেক্টর জমিতে বেড়েছে ভুট্টার আবাদ। ধান, গম ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ ও শ্রম কম এবং দাম ভালো পাওয়ায় চাষীরা ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন।

সীমান্ত জেলা চুয়াডাঙ্গার মানুষের আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। ধান, পাট, পান, শাক-সবজিসহ অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশি লাভ হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা ভুট্টা চাষ বেশি করে থাকে। সারাদেশে মোট উৎপাদিত ভুট্টার পাঁচ ভাগের এক ভাগ চাষ হয় এই জেলায়। মোট চাষযোগ্য জমি ৯৪ হাজার ২২০ হেক্টর। এর মধ্যে ৪৮ হাজার পাঁচ’শ হেক্টর জমিতে ভুট্টার চাষ হয়েছে। এর সাথে জড়িত রয়েছে আড়াই লাখ কৃষক। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ভুট্টার ফলন ভালো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় দামও বেশি পাচ্ছে।

এখন ভট্টা বেচা-কেনার ভরা মৌসুম চলছে। তবে, করোনার কারনে পরিবহনের সংকট রয়েছে। চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে ভূট্টা চাষ হয়েছে। ৪৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে উৎপাদিত প্রায় পাঁচ লাখ ৫২০ মেট্রিক টন ভুট্টার বাজার মূল্য নয়’শ কোটি টাকা।

এদিকে, ঠাকুরগাঁওয়েও চলছে ভুট্টা তোলার কাজ। তবে, মাঝে মাঝেই বৃষ্টি বাঁধ সাধছে। করোনাকালে দিনমজুরদের জন্য কাজের ক্ষেত্র তৈরি করেছে এই ভুট্টা চাষ। কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছর রবি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়েছে।এ থেকে এক লাখ ৩২ হাজার ছ’শ মেট্রিক টন ভুট্টার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন বেশি।  ভুট্টার ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার নজর রাখবে বলে আশা করে, ভুট্টা চাষিরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন