কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং পদ্ধতিতে করোনা নিয়ন্ত্রণে কক্সবাজার পৌরসভার প্রশংসনীয় উদ্যোগ

0

কক্সবাজারে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং পদ্ধতিতে করোনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে প্রশাসন। পাশাপাশি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে নমুনা পরীক্ষার জন্য খোলা জায়গায় বুথ বসিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে কক্সবাজার পৌরসভা। করোনা জয়ী মেয়র মুজিবুর রহমানের দাবী-প্রাণঘাতি এই রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবেন তিনি।

পর্যটন নগরীতে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ৬ জুন থেকে ১১ই জুলাই পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষনা দেয় প্রশাসন। যদিও নির্ধারিত সময়ের আগেই রেডজোনের সেই লকডাউন এখন কিছুটা শিথিল। ওই সময় নগরীতে আক্রান্ত ছিলেন প্রায় সাড়ে ৯শ’। কিন্তু এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজারেও বেশি। মারা গেছেন প্রায় ৪৫ জন। পর্যটন নগরীতে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ৬ জুন থেকে ১১ই জুলাই পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষনা দেয় প্রশাসন। যদিও নির্ধারিত সময়ের আগেই রেডজোনের সেই লকডাউন এখন কিছুটা শিথিল। ওই সময় নগরীতে আক্রান্ত ছিলেন প্রায় সাড়ে ৯শ’। কিন্তু এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজারেও বেশি। মারা গেছেন প্রায় ৪৫ জন।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নগরীতে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিংয়ে নেমেছে প্রশাসন। এরিমধ্যে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কথা বলে করোনা রোগী চিহ্নিত করার কাজ করছেন ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী। এছাড়া ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে নমুনা পরীক্ষার জন্য খোলা জায়গায় বুথ বসিয়েছে কক্সবাজার পৌরসভা। শহরের দু’টি বুথে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নমুনা জমা দিচ্ছেন শত শত মানুষ। নমুনা পরীক্ষা সহজিকরণ এবং কন্ট্রাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে করোনা পরিস্থিতি। তবে লকডাউন শিথিল করায় পুরো নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি কিছুটা ভেঙে পড়তে পারে এমন আশঙ্কাও করছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন