কঠোর বিধি-নিষেধে সদুত্তর দিতে না পারলেই গুণতে হচ্ছে জরিমানা

0

কঠোর বিধি-নিষেধের চতুর্থ দিনে সারাদেশে সকাল থেকেই সড়কে তৎপর রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। চেকপোস্টগুলোতে দাঁড় করিয়ে বাইরে বের হওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে। যৌক্তিক কারণ ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ায় জেল-জরিমানাও করছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বরিশালে লকডাউনের চতুর্থ দিনও কঠোর ছিল প্রশাসন ও আইন-শৃংখলা বাহিনী। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। বিধি-নিষেধ না মানায় বেশ কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়।

রংপুরে বেড়েছে যানবাহন এবং মানুষের চলাচল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে রিক্সা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বাড়ে। তবে আইনশৃংখলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমান আদালতের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

বগুড়ায় যানবাহন চলাচলের সংখ্যা বেড়েছে। তবে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শহরে টহল দিচ্ছে।

সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসনের ১৮টি ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করছে।

ময়মনসিংহে কাঁচা বাজার, ফার্মেসি ও নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলায় ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, বিজিবি ছাড়াও পুলিশ, রেব, আনসার এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের টহল অব্যাহত রয়েছে।

ঝিনাইদহে নানা অজুহাতে বের হচ্ছে মানুষ। চতুর্থ দিনে শহরে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে, শহরের মোড়ে মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

ঝালকাঠিতে শহরের বিভিন্ন স্থানে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হলে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও, শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের টিম, পুলিশ ও আনছার বাহিনী ।

এছাড়াও মেহেরপুর, নওগাঁ, গোপালগঞ্জ, পটুয়াখালী, নড়াইল, গাইবান্ধা ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় কঠোর বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন