ওসি প্রদীপ কুমার, ইনচার্জ লিয়াকতসহ আসামীদের আত্মসমর্পণ

0

কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মুহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকতসহ নয় পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পন করেছে। বিকেলে কক্সবাজার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তারা আত্মসমর্পন করেন।

দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনের বিভাগীয় হাসপাতাল থেকে প্রদীপকে গ্রেফতার করা হয়। সাত কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলা নেয়ার নির্দেশ দেয়ার মাত্র ১০ ঘন্টা পরই হত্যা মামলাটি করে টেকনাফ মডেল থানা। এরপর, এজাহারভুক্ত সব আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করা হয়। পরওয়ানা জারির পর চট্টগ্রাম থেকে, টেকনাফ থানার সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেফতার করে কক্সবাজার আদালতে নেয়া হয়। অন্য আসামীদের আগেই পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়। পরে, তারা আদালতে আত্মসমর্পন করা হয়। তারা হলেন, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী, এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টবল কামাল হসেন, কনস্টবল আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং কনস্টবল মোস্তফা। এর আগে বুধবার সকালে কক্সবাজারের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ’র আদালতে ফৌজদারী দরখাস্ত করেন মামলার বাদী নিহত মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। ৩১ জুলাই টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মুহাম্মদ রাশেদ খান।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন