উপকূলীয় এলাকায় আশংকাজনক হারে বেড়েছে বাল্যবিয়ে

0

করোনার দীর্ঘ ছুটিতে উপকূলীয় এলাকায় আশংকাজনক হারে বেড়েছে বাল্যবিয়ে। গত দেড় বছরে অনেক শিক্ষার্থীর বিয়ে হয়ে যাওয়ায়, কোন কোন স্কুলে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বাল্যবিয়ের শিকার শিক্ষার্থীদের আবারও শিক্ষা জীবনে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন শিক্ষকরা। তবে, এ ব্যাপারে এখনও কোন সরকারি নির্দেশনা পায়নি তারা।

করোনাকালে পটুয়াখালীতে সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাল্যবিয়ের হিড়িক পড়েছে। কলাপাড়ার চরচাপলি ও ধুলাশ্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীর বিয়ে হয়ে গেছে। এদিকে, পটুয়াখালী পৌরসভার ডোনাবান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৫ শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে হয়েছে। এছাড়া,আরও আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১০-২০জন করে শিক্ষার্থীর বিয়ে হয়েছে। শুধু ছাত্রী নয়, গত দেড় বছরে অনেক ছাত্ররাও বাল্যবিয়ে করেছে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর পাঠদান শুরু হলেও বাল্যবিয়ের শিকার বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই স্কুলমুখী হয়নি। এদের মধ্যে অনেকের পারিবারিক অস্বচ্ছলতা ও সামাজিক নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। তবে, স্বামীর উৎসাহে স্কুলে আসছে বলে জানায়, দুই কিশোরী বধূ।

বাল্যবিয়ে থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন চলমান রাখতে কাজ করছে বলে জানান, শিক্ষকরা।

জেলায় বাল্যবিয়ের সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। তবে, এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কথা জানান জেলা শিক্ষা অফিসার।

বাল্যবিয়ের শিকার নবদম্পতিকে দ্রুত কাউন্সেলিং, স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সঠিক ধারণা দেয়ার দাবি জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা অধিকার আন্দোলন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন