ঈদ নামাজ শেষে আল্লাহ’র সন্তুষ্টি লাভে মুসল্লিদের পশু কোরবানী

0

ঈদ জামাত শেষে পশু করোবানী দিয়েছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। এসময় তারা বলেন, মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই এই কোরবানী দেয়া। তবে ইসলামী চিন্তাবিদরা জানান, পশু কোরবানীর মাধ্যমে মনের অশুভ পশুটিকে হত্যা করে শুদ্ধতা লাভই কোরবানী আসল উদ্দেশ্য। এদিন মাংস সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আশে পাশের জেলা থেকে রাজধানীতে জড় হন ছিন্নমুল মানুষেরা।

হযরত আদম (আ:) এর আমল থেকে শুরু হলেও কোরবানী মহৎ দৃষ্টান্তটি স্থাপন করেন হযরত ইব্রাহীম আ:। প্রায় ৪ হাজার বছর আগে মহান আল্লাহ্ সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পুত্র হযরত ইসমাইল (আ:) কে কোরবানী দেন তিনি। কিন্তু পরম করুনাময়ের অপার কুদরতে ইসমাইল (আ:) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানী হয়ে যায়। সেই থেকে হযরত ইব্রাহীম আ এর ত্যাগের মহিমার কথা স্মরণ করেই বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা আরবী জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ মহান আল্লাহ অনুগ্রহ কামনা করে পশু কোরবানী করে থাকে।

সেই ধারাবাহিকতায় এবারো নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী পশু কোরবানী দেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। করোনাকালীন স্বাস্থ্য বিধি মেনেই চলে সেই আয়োজন। এ সময় নিজেদের অনুভুতির কথা জানান তারা।তবে কোরবানী আসল উদ্দেশ্য তুলে ধরেন গাউছুল আযম মসজিদের ইমাম ও খতিব

জবাই করা পশুর মাংস ৩ ভাগ করে একভাগ নিজের জন্য আর বাকি দুই ভাগ স্বজন ও গরীব দু:খীদের মাঝে বিলি করা হয়। আর তাই মাংস সংগ্রহ করতে রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে জড় হন গরীব দু:খী মানুষেরা।কোরবানী শেষে পশুর চামড়া সংগ্রহ করেন অনেকেই। তবে করোনার কারণে সেই চামড়ার মূল্য নিয়েও সংশয় তাদের মাঝে।

একই স্থানে একাধিক কোরবানীর কারনে অনেকেই আবার অপেক্ষা থাকতে পচ্ছন্দের পশুটিকে কোরবানী জন্য।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন