আইসিজের অন্তর্বর্তী আদেশ মিয়ানমার অস্বীকার করায় রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ফের অনিশ্চয়তা

0

ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস- আইসিজের অন্তর্বর্তী আদেশ মিয়ানমার অস্বীকার করায় রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ফের অনিশ্চয়তা তৈরী হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ মানাতে শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘকেও হস্তক্ষেপ করতে হতে পারে। তবে চীন রাশিয়ার মতো প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো এখনো মিয়ানমারের পক্ষে থাকায়, সেখানেও আশার আলো দেখছেন না নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। আর রোহিঙ্গা নেতারা বলছেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে অন্তর্ভুক্ত না করা পর্যন্ত সংকট সমাধান হবে না।

শুনানী শুরুর দেড় মাসের মাথায় আইসিজের অন্তবর্তী রায়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ওপর গণহত্যা চালানোর বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু একদিনের মাথায় মিয়ানমারের পক্ষ থেকে রায়টি অস্বীকার করায়, তৈরী হয়েছে নতুন জটিলতা। রায় ফলো আপে তৃতীয় কোন পক্ষকে অন্তুর্ভুক্ত না করাকে ঐতিহাসিক রায়ের দুর্বল দিক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। আর নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন ও রাশিয়ার মতো দেশ পক্ষে থাকায় আন্তর্জাতিক আদালতের রায়কে উপেক্ষা করার সাহস দেখাচ্ছে মিয়ানমার। তাই চুড়ান্ত রায় আসার আগে মিয়ানমারকে বন্ধু শুন্য করতে কুটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে হবে।

রোহিঙ্গা মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, যাদেরকে কেন্দ্র করে এতকিছু হচ্ছে সেই নির্যতিত জনগোস্টিকে উপেক্ষা করছে সবাই। সংকট সমাধানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে নিয়েই এগোতে হবে বাংলাদেশকে। নানান ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে যে সংকটটি জিইয়ে রেখেছে মিয়ানমার, একটি রায়’এ তার সমাধান হবে এমনটি আশাও করেন না সংশ্লিষ্টরা। তাই রায় মানতে চাপ প্রয়োগে কুটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর বিকল্প নেই বলেই মনে করেন তারা। ফুটেজ-২

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন