২০০ বিচারকের ডোপ টেস্টের সময়সূচি প্রকাশ
- আপডেট সময় : ০২:১২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
১৮তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে সাময়িকভাবে মনোনীত ২০০ প্রার্থীর ডোপ টেস্ট ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন। আগামী ১২ অক্টোবর সব প্রার্থীর ডোপ টেস্ট এবং ১৭ অক্টোবর ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১২ অক্টোবর সবার ডোপ টেস্ট
কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. তসলিম আরিফ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সময়সূচি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারে ১২ অক্টোবর সব প্রার্থীর ডোপ টেস্ট সম্পন্ন করা হবে।
১৭ অক্টোবর তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা
সাময়িকভাবে মনোনীত ২০০ প্রার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ১৭ অক্টোবর ঢাকার তিনটি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হবে। মেধাক্রম অনুযায়ী প্রার্থীদের জন্য হাসপাতাল নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো—
-
মেধাক্রম ১ থেকে ৭০: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
-
মেধাক্রম ৭১ থেকে ১৪০: শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
-
মেধাক্রম ১৪১ থেকে ২০০: স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল।
প্রার্থীদের নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ফলাফল
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ১৮তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদে (সহকারী জজ বা সিভিল জজ) সাময়িকভাবে ২০০ প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়।
তবে এই মনোনয়ন চূড়ান্ত নিয়োগের নিশ্চয়তা নয়। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য দিলে, তথ্য গোপন করলে, যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে কিংবা আবেদনপত্রে অসংগতি পাওয়া গেলে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হতে পারে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কোনো প্রার্থী অযোগ্য ঘোষিত হলে তাঁর সাময়িক মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। একইভাবে, প্রাক-পরিচয় যাচাই বা পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলেও মনোনয়ন বাতিল হতে পারে।
কমিশন আরও জানিয়েছে, সাময়িক মনোনয়ন কোনো প্রার্থীর নিয়োগ পাওয়ার অধিকার সৃষ্টি করে না। প্রকাশিত ফলাফলে ত্রুটি পাওয়া গেলে কিংবা যুক্তিসংগত কারণে প্রয়োজন হলে ফলাফল পরিবর্তন, সংশোধন বা পুনর্নির্ধারণের ক্ষমতা কমিশন সংরক্ষণ করে।




















