হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার চার দিনের রিমান্ড
- আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫৮ বার পড়া হয়েছে
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ আগরওয়ালাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়। ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ
পুলিশের আবেদনে বলা হয়, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, হামলায় জড়িত অন্য আসামিদের পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য দিলীপ আগরওয়ালাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ কারণে তদন্ত কর্মকর্তা তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হামলার অভিযোগ
মামলাটি রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় করা হয়েছে। এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিএনএস সেন্টারের পশ্চিম পাশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটে।
মামলার বাদী আব্দুল জব্বারের অভিযোগ, ওই দিন সরকার পতনের এক দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকা ছাত্র-জনতার ওপর আসামিদের নির্দেশে প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় গুলিতে তিনি মেরুদণ্ডের নিচের অংশ ও কোমরের ওপরের দিকে আহত হন। পরে তাকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন আব্দুল জব্বার। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩০৯, ৩২৬, ১০৯ ও ১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মানিলন্ডারিং মামলাতেও রিমান্ড
এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সোনা ও হীরা কেনার উৎস এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা আরেকটি মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গুলশান থানায় করা ওই মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।
দিলীপ কুমার আগরওয়ালা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য প্রার্থীও ছিলেন।
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সোনা ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।


























