লবিষ্ট ইস্যুর পর দূতাবাস কর্মকর্তাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগে নতুন বিতর্ক
- আপডেট সময় : ০৮:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২২
- / ১৬১৫ বার পড়া হয়েছে
রাজনীতিবিদদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে লবিষ্ট ইস্যুর পর, দূতাবাস কর্মকর্তাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগে তৈরী হয়েছে নতুন বিতর্ক। তবে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, রাজনৈতিক স্বার্থে দেশের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করা হলে হুমকির মুখে পড়বে আগামীর সম্ভাবনা। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের উচিত অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া এবং বিষয়টি জনগণের কাছে স্পষ্ট করা। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের কূটনীতিক নিয়োগের প্রশ্নে যোগ্যতা যাচাই ও সতর্ক থাকার পরামর্শও দেন বিশেষজ্ঞরা।
সাম্প্রতিক সময়ে লবিষ্ট ইস্যুতে উত্তপ্ত হয় দেশের রাজনীতি।
তবে সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে দূতাবাস কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিয়ে নতুন বিতর্ক।
তবে এই বিতর্ককে অর্থহীন মন্তব্য করে সাবেক কূটনৈতিকরা জানান, দেশের ভাবমুর্তি রক্ষায় সরকারকে সহযোগীতা করা দূতাবাস কর্মকর্তাদের পেশাগত দায়িত্ব।
দেশের প্রধান একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কুটনীতিকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দু:খজনক। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
আর এই রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, দেশের ভাবমুর্তি রক্ষা কুটনীতিকদের কাজ হলেও সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদের অংশগ্রহণ অনৈতিক। তাই এমন অভিযোগ উঠলে সরকারের উচিত গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দেয়া।
যেকোন দেশের জন্য দূতাবাস একটি অতি গুরুত্বপূণ ও স্পর্শকাতর জায়গা। তাই কুটনীতিক নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিটি ধাপেই বিতর্কমুক্ত রাখা উচিৎ। এখানে ব্যত্যয় ঘটলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশ।





















