০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

যুদ্ধের মধ্যেই ইরানে গ্যাসের নতুন মজুতের সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৭২৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই বড় ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতের সন্ধান পেয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানে প্রায় ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট বা ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ। তিনি বলেন, নতুন গ্যাসক্ষেত্রে হাইড্রোজেন সালফাইডসহ ক্ষতিকর উপাদানের পরিমাণ তুলনামূলক কম। এ কারণে এখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা সহজ হবে। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়ও তুলনামূলক কম হতে পারে।

তবে আবিষ্কৃত পুরো গ্যাসের মজুত উত্তোলন করা সম্ভব নাও হতে পারে। ইরানি কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাসের মধ্যে ১৬০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি উত্তোলনযোগ্য হতে পারে।

উৎপাদন কমেছে ইরানে

প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মজুতের দিক থেকে ইরান বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ। সংঘাত শুরুর আগে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন করত। তবে সাম্প্রতিক হামলায় দেশটির তেল ও গ্যাস খাতের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে গ্যাস উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

ইরানের সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, গত জুলাইয়ে দেশটির দৈনিক গ্যাস উৎপাদন কমে প্রায় ২৩০ মিলিয়ন ঘনমিটারে নেমে আসে। ফলে জ্বালানি সরবরাহ ও উৎপাদন ব্যবস্থা নিয়ে দেশটিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা

এ অবস্থায় নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান ইরানের জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুদ্ধের কারণে উৎপাদন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সময়ে বড় এই গ্যাসের মজুত দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।

তবে নতুন গ্যাসক্ষেত্র থেকে কবে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানায়নি ইরান। উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ এবং উৎপাদন সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে প্রকল্পটির বাস্তব অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

সূত্র: ব্লুমবার্গ, এনডিটিভি

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

যুদ্ধের মধ্যেই ইরানে গ্যাসের নতুন মজুতের সন্ধান

আপডেট সময় : ১২:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই বড় ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতের সন্ধান পেয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানে প্রায় ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট বা ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ। তিনি বলেন, নতুন গ্যাসক্ষেত্রে হাইড্রোজেন সালফাইডসহ ক্ষতিকর উপাদানের পরিমাণ তুলনামূলক কম। এ কারণে এখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা সহজ হবে। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়ও তুলনামূলক কম হতে পারে।

তবে আবিষ্কৃত পুরো গ্যাসের মজুত উত্তোলন করা সম্ভব নাও হতে পারে। ইরানি কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাসের মধ্যে ১৬০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি উত্তোলনযোগ্য হতে পারে।

উৎপাদন কমেছে ইরানে

প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মজুতের দিক থেকে ইরান বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ। সংঘাত শুরুর আগে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন করত। তবে সাম্প্রতিক হামলায় দেশটির তেল ও গ্যাস খাতের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে গ্যাস উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

ইরানের সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, গত জুলাইয়ে দেশটির দৈনিক গ্যাস উৎপাদন কমে প্রায় ২৩০ মিলিয়ন ঘনমিটারে নেমে আসে। ফলে জ্বালানি সরবরাহ ও উৎপাদন ব্যবস্থা নিয়ে দেশটিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা

এ অবস্থায় নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান ইরানের জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুদ্ধের কারণে উৎপাদন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সময়ে বড় এই গ্যাসের মজুত দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।

তবে নতুন গ্যাসক্ষেত্র থেকে কবে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানায়নি ইরান। উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ এবং উৎপাদন সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে প্রকল্পটির বাস্তব অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

সূত্র: ব্লুমবার্গ, এনডিটিভি