শহরের রূপ বাড়লেও সৌন্দর্য্য হারিয়ে ক্রমশ মৃত্যুর পথে ভৈরব নদ
- আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
- / ১৫৮৯ বার পড়া হয়েছে
যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদের পাড়ে গড়ে উঠেছে নওয়াপাড়া নদী বন্দর। নদটিকে উপজীব্য করেই গোড়াপত্তন হয়েছিলো এই নদী বন্দরের। যা পরবর্তীতে শিল্প-বাণিজ্যসমৃদ্ধ নগরীতে রূপান্তর হয়। এতে শহরের রূপ যতটা বেড়েছে ততটাই সৌন্দর্য্য হারিয়েছে ভৈরব নদ। হালে এই নদ এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছে।
২০০৪ সালে নওয়াপাড়াকে নদী বন্দরের সীমানা উল্লেখপূর্বক গেজেট প্রকাশ করে সরকার।আর তারপরই চোখের পলকে যেন বদলে যেতে থাকে নওয়াপাড়ার চিত্র।এ বন্দর থেকে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় করলেও বন্দর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা,ব্যক্তি স্বার্থ ও দূরদর্শীতার অভাবে বন্দরের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি।স্থানীয় সচেতন মহল,ব্যবসায়ীমহল,সুধিজনেরা একের পর এক আন্দোলন সংগ্রাম করলেও বদলায়নি অতিলোভী গুটি কয়েক ব্যবসায়ীর মনোভব।পরিবর্তন আসেনি বন্দর কর্তৃপক্ষের।
একদিকে নাব্যতা সংকট ও অন্যদিকে দখলের কবলে প্রতিনিয়ত তার জৌলুস হারাচ্ছে নওয়াপাড়া নদী বন্দর। নদীর পাড়ে গোডাউন,কারখানাসহ বিভিন্ন স্থাপনার দখলে ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে এই নদী।ব্যবসায়ীদের দাবি,নদীর নাব্যতা আগের মত ফিরে আসুক।যাতে করে ব্যবসা বানিজ্যের উন্নতি ঘটুক।এছাড়া বন্দরে পণ্য উঠানো-নামানোর ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের আরও সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।
ভৈরব নদী যে অব্যাহত ভাবে পলি পড়ে নদীর যে নাব্যতা সংকট দেখা দিচ্ছে, বিশেষ করে নদীর পাশের ঘাট গুলাতে এই নাব্যতা সংকট পলি অপসারনের জন্য দুইটা ড্রেজার ও দুইটা এস্কোভেটর অব্যহত ভাবে কাজ করে চলছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিএ উপ-পরিচালক।
এই বন্দরে প্রতিদিন মংলা ও চট্রগ্রাম থেকে ৩০ থেকে ৪০টি পন্য বোঝাই জাহাজ ওঠানো নামানো হয়। ঘাটে খালাসের অপেক্ষায় থাকে আরো ২শতাধিক জাহাজ। সচেতন মহল বলছেন নদীর নাব্যতা সংকট দূর করতে না পারলে বন্দরের কাঙ্খিত উন্নয়ন হবে না।










