০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহে ২৫৭ পূজামণ্ডপে জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তা

আওলাদ রুবেল, ময়মনসিংহ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলার ২৫৭টি পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে জেলা পরিষদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উৎসাহ ও নির্দেশনায় জেলার ১৪টি উপজেলা, ১০টি পৌরসভা এবং একটি সিটি করপোরেশন এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। জেলা পরিষদের দাবি, জেলার ইতিহাসে এবারই প্রথম এত বিস্তৃত পরিসরে পূজামণ্ডপে আর্থিক সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে দুর্গোৎসবের আয়োজন ও সরকারি সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হয়েছে।

বিভিন্ন উপজেলায় চেক বিতরণ

রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের কার্যালয়ের ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে সিটি করপোরেশন এবং ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল, ফুলবাড়িয়া ও গৌরীপুর উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।

পরে বিকেলে মুক্তাগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে, সন্ধ্যায় নান্দাইলে এবং রাতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চেক বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ সদরের সংসদ সদস্য আবু ওহাব আকন্দ, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস উপস্থিত ছিলেন। মুক্তাগাছার অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু অংশ নেন। নান্দাইলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গাপূজা সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি একটি ব্যয়বহুল আয়োজন। ঐতিহাসিকভাবে একসময় রাজা-মহারাজা ও জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতো। তবে সময়ের পরিবর্তনে সেই আয়োজন রাজবাড়ি ও জমিদারবাড়ির সীমানা পেরিয়ে গ্রাম-গঞ্জ, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে আনন্দ, উৎসাহ ও মর্যাদার সঙ্গে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা দেওয়া হয়। এই সহযোগিতা কেবল আর্থিক অনুদান নয়; বরং ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

পূজামণ্ডপে সরকারি বরাদ্দ বাড়ানোর কথা জানালেন প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামল ও পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় পেরিয়ে এবার নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে শারদীয় দুর্গোৎসব আরও ব্যাপক পরিসরে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। উৎসবের আয়োজন সম্প্রসারণের পাশাপাশি সরকারি ছুটি ও পূজামণ্ডপগুলোর জন্য সহযোগিতাও বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সরকারি সহায়তা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পূজামণ্ডপের জন্য আর্থিক বরাদ্দ চার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ বরাদ্দের চাল ৫০০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কেজিতে উন্নীত করা হয়েছে। জেলা পরিষদ, ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকেও পূজামণ্ডপগুলোকে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে প্রিন্স বলেন, ধর্মকর্ম পালন এবং ধর্মীয় উৎসব আয়োজনে বিএনপি সব সময় সব ধর্মের মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে ধর্মীয় পরিচয় কারও অধিকার, মর্যাদা কিংবা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’—এই নীতিতে বিশ্বাস করে দলটি। এ নীতির আলোকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

দুর্গোৎসবসহ সব ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনের জন্য সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, এবার বিএনপি জাতীয় পর্যায়ে পূজামণ্ডপের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে দলের স্বেচ্ছাসেবকেরা পূজা উদ্‌যাপনে মণ্ডপ কমিটিকে সহযোগিতা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহসহ সারা দেশে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্‌যাপিত হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ময়মনসিংহে ২৫৭ পূজামণ্ডপে জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তা

আপডেট সময় : ০৫:১৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলার ২৫৭টি পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে জেলা পরিষদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উৎসাহ ও নির্দেশনায় জেলার ১৪টি উপজেলা, ১০টি পৌরসভা এবং একটি সিটি করপোরেশন এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। জেলা পরিষদের দাবি, জেলার ইতিহাসে এবারই প্রথম এত বিস্তৃত পরিসরে পূজামণ্ডপে আর্থিক সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে দুর্গোৎসবের আয়োজন ও সরকারি সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হয়েছে।

বিভিন্ন উপজেলায় চেক বিতরণ

রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের কার্যালয়ের ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে সিটি করপোরেশন এবং ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল, ফুলবাড়িয়া ও গৌরীপুর উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।

পরে বিকেলে মুক্তাগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে, সন্ধ্যায় নান্দাইলে এবং রাতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চেক বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ সদরের সংসদ সদস্য আবু ওহাব আকন্দ, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস উপস্থিত ছিলেন। মুক্তাগাছার অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু অংশ নেন। নান্দাইলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গাপূজা সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি একটি ব্যয়বহুল আয়োজন। ঐতিহাসিকভাবে একসময় রাজা-মহারাজা ও জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতো। তবে সময়ের পরিবর্তনে সেই আয়োজন রাজবাড়ি ও জমিদারবাড়ির সীমানা পেরিয়ে গ্রাম-গঞ্জ, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে আনন্দ, উৎসাহ ও মর্যাদার সঙ্গে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা দেওয়া হয়। এই সহযোগিতা কেবল আর্থিক অনুদান নয়; বরং ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

পূজামণ্ডপে সরকারি বরাদ্দ বাড়ানোর কথা জানালেন প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামল ও পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় পেরিয়ে এবার নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে শারদীয় দুর্গোৎসব আরও ব্যাপক পরিসরে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। উৎসবের আয়োজন সম্প্রসারণের পাশাপাশি সরকারি ছুটি ও পূজামণ্ডপগুলোর জন্য সহযোগিতাও বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সরকারি সহায়তা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পূজামণ্ডপের জন্য আর্থিক বরাদ্দ চার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ বরাদ্দের চাল ৫০০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কেজিতে উন্নীত করা হয়েছে। জেলা পরিষদ, ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকেও পূজামণ্ডপগুলোকে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে প্রিন্স বলেন, ধর্মকর্ম পালন এবং ধর্মীয় উৎসব আয়োজনে বিএনপি সব সময় সব ধর্মের মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে ধর্মীয় পরিচয় কারও অধিকার, মর্যাদা কিংবা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’—এই নীতিতে বিশ্বাস করে দলটি। এ নীতির আলোকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

দুর্গোৎসবসহ সব ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনের জন্য সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, এবার বিএনপি জাতীয় পর্যায়ে পূজামণ্ডপের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে দলের স্বেচ্ছাসেবকেরা পূজা উদ্‌যাপনে মণ্ডপ কমিটিকে সহযোগিতা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহসহ সারা দেশে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্‌যাপিত হবে।