০৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বিষাক্ত ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, সেই নারীকে ফেরানো হলো কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারীকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত শনিবার (১০ অক্টোবর) তাকে কারাগারে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তার এক আইনজীবী।

৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়া পাইককে টেনেসির দেবোরাহ কে জনসন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। গত ৩০ বছর ধরে তিনি এই কারাগারেই বন্দি রয়েছেন।

দুই ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি

গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ক্রিস্টিয়া পাইকের শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরও তার মৃত্যু হয়নি। বরং তিনি বড় বড় নিঃশ্বাস নিতে থাকেন এবং গোঙানির মতো শব্দ করতে থাকেন। পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন ক্রিস্টিয়া। প্রায় দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তাকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কারাগারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রেখে তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সাধারণত প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর অল্প সময়ের মধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির জ্ঞান হারানোর কথা। এরপর প্রায় ২০ মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু ক্রিস্টিয়ার ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত ফল দেয়নি।

১৮ বছর বয়সে হত্যা, ৩০ বছর ধরে কারাবন্দি

১৯৯৫ সালে নিজের সহপাঠী কোলিন স্লিমারকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত হন ক্রিস্টিয়া পাইক। হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। এরপর থেকে কারাগারেই রয়েছেন তিনি।

এবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রাণঘাতী ইনজেকশন পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিকল্প হিসেবে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে অথবা ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে কি?

ক্রিস্টিয়া পাইক সুস্থ হয়ে কারাগারে ফিরলেও তার মৃত্যুদণ্ড আবার কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। টেনেসির গভর্নর চলতি বছরের সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর পুনরায় তা কার্যকরের নজির রয়েছে। তবে ক্রিস্টিয়া পাইকের ক্ষেত্রে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আলজাজিরা ও ঢাকা পোস্ট।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিষাক্ত ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, সেই নারীকে ফেরানো হলো কারাগারে

আপডেট সময় : ০২:০৭:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারীকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত শনিবার (১০ অক্টোবর) তাকে কারাগারে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তার এক আইনজীবী।

৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়া পাইককে টেনেসির দেবোরাহ কে জনসন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। গত ৩০ বছর ধরে তিনি এই কারাগারেই বন্দি রয়েছেন।

দুই ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি

গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ক্রিস্টিয়া পাইকের শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরও তার মৃত্যু হয়নি। বরং তিনি বড় বড় নিঃশ্বাস নিতে থাকেন এবং গোঙানির মতো শব্দ করতে থাকেন। পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন ক্রিস্টিয়া। প্রায় দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তাকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কারাগারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রেখে তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সাধারণত প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর অল্প সময়ের মধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির জ্ঞান হারানোর কথা। এরপর প্রায় ২০ মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু ক্রিস্টিয়ার ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত ফল দেয়নি।

১৮ বছর বয়সে হত্যা, ৩০ বছর ধরে কারাবন্দি

১৯৯৫ সালে নিজের সহপাঠী কোলিন স্লিমারকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত হন ক্রিস্টিয়া পাইক। হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। এরপর থেকে কারাগারেই রয়েছেন তিনি।

এবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রাণঘাতী ইনজেকশন পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিকল্প হিসেবে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে অথবা ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে কি?

ক্রিস্টিয়া পাইক সুস্থ হয়ে কারাগারে ফিরলেও তার মৃত্যুদণ্ড আবার কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। টেনেসির গভর্নর চলতি বছরের সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর পুনরায় তা কার্যকরের নজির রয়েছে। তবে ক্রিস্টিয়া পাইকের ক্ষেত্রে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আলজাজিরা ও ঢাকা পোস্ট।