বিঘা প্রতি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রায় একলাখ টাকা
- আপডেট সময় : ০৪:১৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
- / ১৬০১ বার পড়া হয়েছে
মরুভূমির মতো ধুধু বালুচরে এখন সবুজের সমারোহ। যে তিস্তা একসময় ছিলো শুধু হাহাকার, সেই নদীর বুকেই এখন ফলছে তরমুজ। নীলফামারীর তিস্তার চরে অসময়ের এই ফল চাষ করেছেন কৃষকরা। যখন বাজারে তরমুজ পাওয়া দুষ্কর, তখন তিস্তার চরের এই আগাম তরমুজ যাচ্ছে রাজধানীসহ সারা দেশে। ফলন ভালো হওয়ায় বিঘা প্রতি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রায় একলাখ টাকা।
নীলফামারীর ডিমলার কালিগঞ্জ আর খগার চর। শুকনো মৌসুমে তিস্তার পলি ও বালু মিশ্রিত এই জমি বছরের বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকত অনাবাদী।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এখন বদলে গেছে সেই দৃশ্য। দিগন্তজোড়া মাঠে এখন শুধু তরমুজের আবাদ। তবে চরের কৃষকদের প্রধান বাধা সেচ সংকট ও পরিবহন।
সাধারণত জানুয়ারি মাসে তরমুজের আবাদ শুরু হলেও, এখানকার কৃষকরা ঝুঁকি নিয়েছিলেন অক্টোবরেই। আর সেই ঝুঁকির ফল এখন চরের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
তবে সাফল্যের এই গল্পের পেছনে আছে বড় সংগ্রাম। তিস্তায় পানি সংকটের কারণে কষ্ট করে সেচ দিতে হয় ক্ষেতে। এই ফসল তুলে একই জমিতে ফের শুরু হবে বাদাম চাষ, জানালেন কৃষকরা।
এই তরমুজের চাহিদা এখন রাজধানীসহ সারাদেশে। পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে।
কৃষকদের সমস্যা দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি বিভাগ। আগামী বছর গুলোতে উচ্চ মূল্যের ফসল ফলানোর পরিকল্পনাও রয়েছে এই দপ্তরের।
তরমুজের লাভজনক আবাদের পর, তিস্তার বুকে ভালো ফলনের স্বপ্ন বুনছে কৃষকরা। এখন অপেক্ষা -সংকট নিরসনের।












