০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বরেন্দ্র প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২
  • / ১৯৯৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যান বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ’র কর্মকর্তারা। বছরের পর বছর ধরে নিষ্পত্তি হয় না অডিট আপত্তি। মাঝেমধ্যে অভিযান চালায় দুদক। কিন্তু কোনো কিছুতেই লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না কৃষি মন্ত্রণালয়ের স্বায়ত্ত্বশাসিত এই প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের।

২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রায় ১৪ কোটি টাকা খরচে সাবমারসিবল পাম্প, রি-উইন্ডিং তার এবং সুপার এনামেল তামার তার কেনে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ

অডিটে ধরা পড়ে, দরপত্র ছাড়াই বিপুল টাকার কেনাকাটা করা হয় গাজীপুরের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। একইভাবে উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই জলাবদ্ধতা নিরসন ও ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ প্রকল্পের কেনাকাটা করা হয় । প্রায় সাত কোটি টাকার লেনদেন হয় সেখানে। এই দু’ অর্থবছরে খননকৃত পুকুরে ঘাট নির্মাণ ও ঘাস লাগানোসহ নানাখাতে ডিপিপি বর্হিভূত বিভিন্ন কাজের বিল পরিশোধ হয় ১১ কোটি টাকার।
এভাবে প্রায় প্রতিটি প্রকল্পেই সরকারি টাকা পকেটে তুলেছেন বিএমডিএ’র দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। তবে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বলছেন, গোপনেই এসব কাজ সেরেছেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক।

এদিকে, দুর্নীতিবিরোধী সংগঠনগুলো বলছে, সাত বছর ধরে নির্বাহী পরিচালকের পদ দখলে রেখে বিএমডিএকে দুর্নীতির কারখানায় রূপান্তরিত করা হয়েছে।

সুশাসন বিশ্লেষকদের মতে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্সনীতি বাস্তবায়নে অর্থ লুণ্ঠনকারীদের প্রতি আরো কঠোর হতে হবে।
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বিএমডিএর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েও সাত কোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছিল দুদক।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরেন্দ্র প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি

আপডেট সময় : ০১:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২

কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যান বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ’র কর্মকর্তারা। বছরের পর বছর ধরে নিষ্পত্তি হয় না অডিট আপত্তি। মাঝেমধ্যে অভিযান চালায় দুদক। কিন্তু কোনো কিছুতেই লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না কৃষি মন্ত্রণালয়ের স্বায়ত্ত্বশাসিত এই প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের।

২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রায় ১৪ কোটি টাকা খরচে সাবমারসিবল পাম্প, রি-উইন্ডিং তার এবং সুপার এনামেল তামার তার কেনে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ

অডিটে ধরা পড়ে, দরপত্র ছাড়াই বিপুল টাকার কেনাকাটা করা হয় গাজীপুরের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। একইভাবে উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই জলাবদ্ধতা নিরসন ও ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ প্রকল্পের কেনাকাটা করা হয় । প্রায় সাত কোটি টাকার লেনদেন হয় সেখানে। এই দু’ অর্থবছরে খননকৃত পুকুরে ঘাট নির্মাণ ও ঘাস লাগানোসহ নানাখাতে ডিপিপি বর্হিভূত বিভিন্ন কাজের বিল পরিশোধ হয় ১১ কোটি টাকার।
এভাবে প্রায় প্রতিটি প্রকল্পেই সরকারি টাকা পকেটে তুলেছেন বিএমডিএ’র দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। তবে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বলছেন, গোপনেই এসব কাজ সেরেছেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক।

এদিকে, দুর্নীতিবিরোধী সংগঠনগুলো বলছে, সাত বছর ধরে নির্বাহী পরিচালকের পদ দখলে রেখে বিএমডিএকে দুর্নীতির কারখানায় রূপান্তরিত করা হয়েছে।

সুশাসন বিশ্লেষকদের মতে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্সনীতি বাস্তবায়নে অর্থ লুণ্ঠনকারীদের প্রতি আরো কঠোর হতে হবে।
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বিএমডিএর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েও সাত কোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছিল দুদক।