বন্ধ রাজশাহীর রেলওয়ের ডিজিটাল ওয়াশিং প্লান্ট, সনাতন পদ্ধতিতে অনিয়মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
- / ১৫২২ বার পড়া হয়েছে
রেলে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২১ সালে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীতে স্থাপন করা হয় ডিজিটাল ওয়াশিং প্লান্ট। অথচ চালুর এক বছরের মাথায় বন্ধ হয়ে যায় প্লান্টটির কার্যক্রম। বর্তমানে সনাতন পদ্ধতিতে কোচ পরিষ্কারের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হলেও চলছে ফাঁকিবাজি। পরিষ্কার কাজে জীবাণুনাশক ব্যবহারের কোন বালাই নেই। আর নিম্নমানের যেসব ডিটারজেন্ট ব্যবহার করা হয় তাও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করেনি প্রয়োজনীয় জনবলও। এতে তসরুপ হচ্ছে সরকারের লাখ লাখ টাকা।
রাজশাহীতে এভাবেই অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রেলওয়ের ডিজিটাল ওয়াশিং প্ল্যান্ট। যেখানে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিটে পরিষ্কার করা হতো ১৪ কোচের একটি ট্রেন। অথচ চালুর এক বছরের মাথায় বন্ধ হয়ে যায় প্লান্টটি। দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে অচল থাকায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্ল্যান্টটির মূল্যবান সরঞ্জামাদি।
ডিজিটাল ওয়াশিং প্ল্যান্টটি পুণরায় দ্রুত চালুসহ রেলের সব ধরনের দুর্নীতি বন্ধের দাবি নাগরিক নেতৃবৃন্দের।
রহস্যজনকভাবে প্ল্যান্টটি বন্ধ করে সনাতন পদ্ধতিতে পরিষ্কারের দায়িত্ব দেয়া হয় রাজশাহীর একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে। শুরু থেকে বারবার দায়িত্ব পাচ্ছে একই প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্রয়োজনীয় লোকবল কিংবা পরিষ্কারের সঠিক উপকরণ ব্যবহার না করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় মাত্র ১শ’ গ্রাম নিম্নমানের ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে রাজশাহী-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী ১৪ কোচের বনলতা এক্সপ্রেস।
এসব অনিয়মের বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও হেড ট্রেন এক্সামিনার।
তবে পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক জানান, প্ল্যান্ট স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে রয়েছে পরিস্কার কাজে ব্যবহৃত কাঁচামাল সরবরাহের জটিলতা।
রেল বিভাগের পরতে পরতে এমন দুর্নীতির কারণেই বাংলাদেশ রেলওয়ে স্বাধীনতার পর থেকে আজও লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
























