জামালপুরে পতিত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে তুলা চাষ
- আপডেট সময় : ১১:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
জামালপুরের পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অনুর্বর পতিত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে তুলা চাষ। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকায় তুলার ফলন কিছুটা কম হওয়ার আশঙ্কা তুলাচাষীদের। তবে বাজারে তুলার ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবং ভালো দাম পাবার কারণে অনেক চাষীই এখন ধান-ভুট্টা-মাসকালাইসহ অন্যান্য ফসল চাষ কমিয়ে দিয়ে তুলা চাষে ঝুঁকছেন।
চলতি বছরে জামালপুর জেলায় ৩শ’ ১২ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হয়েছে- যা গতবারের চেয়ে ৫ হেক্টর বেশি। এবছর উচ্চ ফলনশীল জাত– হোয়াইট গোল্ড-ওয়ান ও টু, সিবি-টুয়েলভ ও ফরটিন এবং রুপালী-ওয়ান ও শুভ্র জাতের তুলা বেশি চাষ হয়েছে। তবে তুলার ফুল বা স্কয়ার ফোটার সময় বৃষ্টির কারণে তুলার ফলনে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করছে জামালপুর তুলা উন্নয়ন বোর্ড।
জামালপুর সদরের পাথালিয়া গুয়াবাড়িয়া ও নাওভাঙ্গাসহ ব্রহ্মপুত্র নদের চর ও পতিত জমিতে তুলার চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তুলাবীজ, সার, সেচ ও কীটনাশকের দাম এবং শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধির ফলে তুলা উৎপাদনে খরচ বেড়েছে একরে ১৪/১৫ হাজার টাকা। তাই তুলার দাম বাড়ানোর দাবী স্থানীয় তুলা চাষীদের।
তুলা চাষীদের অভিমত- প্রতিমণ তুলার দাম সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা না হলে লোকসানে পড়তে হবে তাদের।
চলতি মৌসুমে জেলায় উৎপাদিত ১ হাজার ৫০ টন তুলা থেকে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকার তুলা বিক্রির সম্ভাবনার কথা জানালেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
সরকারি প্রণোদনা, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতায় তুলা চাষে দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে জানিয়ে তুলা উন্নয়ন বোর্ড বলছে, তুলাবীজের তেল থেকে তারা আরো লাভবান হবে।





















