জানুয়ারিতে সংসদে উঠবে সংবিধান সংশোধন বিল, পাসের পর গণভোট
- আপডেট সময় : ১২:৪০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
আগামী জানুয়ারির সংসদ অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধনের বিল উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন এ-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনাসহ বেশ কিছু মৌলিক বিধানে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব রয়েছে। এসব পরিবর্তন নিয়ে বিল সংসদে পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোট আয়োজন করা হবে।
জানুয়ারিতে উঠবে সংবিধান সংশোধন বিল
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। বৈঠকে সংশোধনী প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সেখানেই সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আগামী জানুয়ারির অধিবেশনে জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনের বিল তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সংবিধানের প্রস্তাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিধানে পরিবর্তন আসতে পারে।
পাসের পর হবে গণভোট
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনা হলে গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই সংশোধনী বিল সংসদে পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের আগে গণভোট আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।
এর ফলে প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে সংসদীয় প্রক্রিয়ার পাশাপাশি গণভোটও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে থাকছে।
বিরোধী দলকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিরোধী দলকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিভেদ এড়িয়ে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথা জানান তিনি।
বিশেষ কমিটির বৈঠকগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এর আগে কমিটি সংবিধান পর্যালোচনা করে সংশোধনের বিষয়ে সুপারিশ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
১৩ জুলাই গঠন হয় বিশেষ কমিটি
গত ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের ‘সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটিতে বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব যুক্ত করে সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে বিরোধী দল কমিটিতে প্রতিনিধি না দেওয়ার পাশাপাশি কমিটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার অবস্থান জানায়।
বর্তমানে বিশেষ কমিটি সংবিধানের বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে সংশোধনের প্রস্তাব তৈরির কাজ করছে। এরপর প্রস্তাবিত বিল সংসদে উত্থাপন ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের কথা রয়েছে।
























