চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা বেকায়দায়
- আপডেট সময় : ০২:৪৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২
- / ১৭৪৮ বার পড়া হয়েছে
তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে পরিবহন ভাড়ার সঙ্গে অফডকের মাশুল বেড়েছে ২৫ শতাংশ। আর ফ্রেইট ফরোয়ার্ড চার্জ বাড়ানো হয় ৫৭ শতাংশ। গেলো দুই মাস ধরে এভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ইচ্ছে মতো চার্জ বাড়িয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সব খাতে অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছেন তারা। আর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ব্যবসায় টিকে থাকতে চার্জ বাড়ানোর বিকল্প ছিল না।
গেলো আগস্ট মাসে জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ব্যয় বেড়েছে সবখাতে। ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স, শিপিং এজেন্ট, সিএন্ডএফসহ তেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন প্রতিষ্ঠানগুলোও অস্বাভাবিক চার্জ বাড়িয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আগে যে কোন প্রতিষ্ঠানকে মাশুল বাড়াতে হলে সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে হতো। এখন সেই প্রয়োজনীয়তাও মনে করে না কেউ।
চার্জ বাড়ানোর শীর্ষে রয়েছে ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স এসোসিয়েশন। যার ব্যাখ্যা দিলেন বাফার এই কর্মকর্তা।
বিজিএমইএ বলছে, বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও কতৃর্ত্ব না থাকায় অরাজকতা চালাচ্ছে আমদানী রপ্তানী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।
তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সেবা গ্রহণকারী ও প্রদানকারী দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যস্ততায় মুল্য নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে লাইসেন্স অথোরিটির করার কিছুই নেই।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তেলের দাম বৃদ্ধিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে পুরো সার্ভিসের ওপর অযৌক্তিকভাবে মাশুল বাড়িয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।























