গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল
- আপডেট সময় : ০৮:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৫২ বার পড়া হয়েছে
গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। দুপুরে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কেনো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়, তাও জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। রুলের ফলে গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ঝুলে যাবে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।
গেলো বছরের ১৩ নভেম্বর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর ১২ফেব্রুয়ারি গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করে বিএনপি সরকার। ওই দিন দুটি শপথ নেয়ার কথা থাকলেও বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়া থেকে বিরত থাকেন। দুটি শপথ নেন জামায়াত ও এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন না এই যুক্তিতে হাইকোর্টে দুইজন আইনজীবী রিট দায়ের করেন। রিটে জুলাই সনদ ও গণভোট বাতিল চাওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ সব পক্ষের শুনানি করে রুল জারি করেন৷ আদেশে বলা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেনো অবৈধ হবে না। একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কেনো অবৈধ হবে না, তাও জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়৷ হাইকোর্টের এই আদেশের ফলে গণভোট নিয়ে সংসদ আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না বলে জানান রিটকারীর আইনজীবী ।
জামায়াতের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট বাতিল হলে সংসদ নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আদালতের কাঁধে দিয়ে দ্বিচারিতা করছে সরকার।
আগামি চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রুলের নিষ্পত্তি করে গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে চূড়ান্ত রায় দেবেন হাইকোর্ট।





















