ক্রিকেটারদের ৮টি লাগেজ চুরি, পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৪:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৬৩ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ক্রিকেট লিগে অংশ নিতে ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার পথে রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটারদের আটটি লাগেজ চুরির ঘটনা ঘটেছে। কাভার্ড ভ্যান থেকে লাগেজগুলো চুরি হয়। পরে রাজশাহী ও নাটোর জেলা পুলিশ এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নিরাপত্তা বিভাগের তৎপরতায় বেশির ভাগ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতীয় ক্রিকেট লিগের পরবর্তী রাউন্ডের ম্যাচ খেলতে রাজশাহীতে যান ক্রিকেটাররা। নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়েরা বিমানে যাতায়াত করেন। অন্যদিকে তাঁদের কিটব্যাগ ও অন্যান্য লাগেজ কাভার্ড ভ্যানে করে এক শহর থেকে অন্য শহরে নেওয়া হয়।
ক্রিকেটাররা রাজশাহীতে পৌঁছানোর পর বুধবার লাগেজ গ্রহণ করতে গিয়ে কর্মকর্তারা দেখতে পান, আটটি লাগেজ নিখোঁজ। পরে খোঁজ নিয়ে চুরির বিষয়টি সামনে আসে।
যেসব ক্রিকেটারের লাগেজ চুরি হয়েছে
চুরি হওয়া আটটি লাগেজের মধ্যে ছিল স্পিনিং অলরাউন্ডার এসএম মেহেরব হাসান, পেসার মোহর শেখ অন্তর, পেসার আলি মোহাম্মদ ওয়ালিদ এবং দলের টিম বয় আব্দুল কাদেরের লাগেজ।
ঘটনার পরপরই রাজপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ক্রিকেটার মেহেরব হাসান। অভিযোগে তিনি জানান, লাগেজে তাঁদের ব্যবহৃত জামাকাপড় ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল।
মেহেরবের অভিযোগ অনুযায়ী, চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে তাঁর পাসপোর্ট, একটি আইফোন, নগদ তিন লাখ টাকা, ৩০০ মার্কিন ডলার এবং কিছু ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছিল।
এ ছাড়া পেসার মোহর শেখ অন্তরের ব্যাগেও মূল্যবান ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে, টিম বয় আব্দুল কাদেরের ব্যাগে স্পাইক জুতা ও খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম ছিল।
পুলিশ ও বিসিবির তৎপরতায় উদ্ধার
লাগেজ চুরির ঘটনা জানার পর উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে পুলিশ ও বিসিবির নিরাপত্তা বিভাগ। রাজশাহী ও নাটোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় কয়েকটি ব্যাগ এবং সেগুলোর মধ্যে থাকা বিভিন্ন জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধার করা মালামাল সংশ্লিষ্টদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে চুরি হওয়া সব মালামাল উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
জাতীয় ক্রিকেট লিগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাওয়া খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত মালামাল পরিবহনের সময় এমন ঘটনা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে খেলোয়াড়দের পাসপোর্ট, নগদ অর্থ, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ও খেলার সরঞ্জাম পরিবহনে আরও সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


























