০১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশের খবর ‘গুজব’, দাবি প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৭৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচারিত হলেও এটিকে ‘গুজব’ বলে দাবি করেছেন প্রতিমন্ত্রী নিজেই। তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন বিটিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

পদত্যাগের খবরকে গুজব বললেন ইশরাক

পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, ‘শত শত ফোন আসছে, গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এদিকে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পদত্যাগসংক্রান্ত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ কিংবা তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, প্রতিমন্ত্রী তাঁর সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে তাঁর পদত্যাগের প্রশ্নও ওঠে না।

মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা

এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) নিজের সংসদীয় আসন ঢাকা-৬-এর গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালান ইশরাক হোসেন। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন তিনি।

অভিযান চলাকালে প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ—এমন খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তার বিবৃতিতে বলা হয়, মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির সময় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার স্বার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রতিমন্ত্রী তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে একটি মহল ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।

একই সঙ্গে যেসব গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তবে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের মধ্যে ভিন্নতা থাকায় বিষয়টি সম্পর্কে সরকারি আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশের খবর ‘গুজব’, দাবি প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:৪০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচারিত হলেও এটিকে ‘গুজব’ বলে দাবি করেছেন প্রতিমন্ত্রী নিজেই। তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন বিটিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

পদত্যাগের খবরকে গুজব বললেন ইশরাক

পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, ‘শত শত ফোন আসছে, গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এদিকে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পদত্যাগসংক্রান্ত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ কিংবা তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, প্রতিমন্ত্রী তাঁর সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে তাঁর পদত্যাগের প্রশ্নও ওঠে না।

মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা

এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) নিজের সংসদীয় আসন ঢাকা-৬-এর গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালান ইশরাক হোসেন। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন তিনি।

অভিযান চলাকালে প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ—এমন খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তার বিবৃতিতে বলা হয়, মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির সময় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার স্বার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রতিমন্ত্রী তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে একটি মহল ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।

একই সঙ্গে যেসব গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তবে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের মধ্যে ভিন্নতা থাকায় বিষয়টি সম্পর্কে সরকারি আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।