অর্থপাচার-লুটপাট বন্ধে সরকারকে কঠোর হবার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের
- আপডেট সময় : ০১:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মে ২০২১
- / ১৫৬২ বার পড়া হয়েছে
করোনাকালীন ২য় বাজেট হবে বৈষম্য দূরীকরণ এবং নতুন কর্ম সংস্থান সৃষ্টির বাজেট। ঘাটতি থাকলেও তা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে তেমন একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। আগামী বাজেট নিয়ে এমন প্রত্যাশা ও মূল্যায়ন আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞদের। আসন্ন বাজেটকে সফল করতে অর্থপাচার রোধ এবং উন্নয়ন বরাদ্দের লুটপাট বন্ধে সরকারকে সতর্ক ও কঠোর হবার পরামর্শও দেন অর্থনীতিবিদরা।
বিশ্বব্যাপী করোনার থাবায় অনেকটাই থমকে আছে উৎপাদনের চাকা।ব্যস্ততার সাথে কমেছে আয়। তাই হাসির বদলে একরাশ হতাশা নিয়েই দিন কাটে খেটে খাওয়া মানুষদের।করোনর কারণে বদলেছে পেশা, কেউ হয়েছেন বেকার। বেঁচে থাকার তাগিদে নিম্ন আয়ের মানুষদের একটি বড় অংশ ফিরে গেছেন গ্রামের বাড়ীতে।
তাই করোনা সংকট মোকাবিলার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হচ্ছে দেশের ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট। যার সম্ভাব্য আকার হতে পারে ৬ লাখ ২ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে আয়-ব্যয়ের ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ১৩ হাজার ৮০২ কোটি টাকা। সব ঠিক থাকলে আগামী ৩ জুন জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী।এমন বাস্তবতায় কথা হয় আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে। এসময় আগামী বাজেট নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশা ও মূল্যায়ন তুলে ধরেন তারা।
বাজেটকে সফল করতে কোন বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে সেই পরামর্শও দেন তারা। রাজস্ব চুরি ঠেকাতে আয়কর বিভাগে অটোমেশন পদ্ধতি অনুসরণ করা পরামর্শও দেন অর্থনীতিবিদরা।



















