০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে মো. শরিফুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর অপহরণের শিকার স্কুলছাত্রী

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ অক্টোবর নগরকান্দা উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে কসমেটিকস কেনার উদ্দেশ্যে বের হয় ষষ্ঠ শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রী। এ সময় পথে তার গতিরোধ করেন শরিফুল ইসলাম। পরে তাকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, অপহরণের পর ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেন আসামি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালতের রায়

মামলাটি দায়েরের পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া চলে। এ সময় আদালতে বিভিন্ন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়।

শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত শরিফুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এরপর তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাঁকে অতিরিক্ত তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

তবে রায় ঘোষণার দিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রায়ে সন্তুষ্ট রাষ্ট্রপক্ষ

রায়ের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।

তিনি আরও বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে কঠোর বার্তা পৌঁছাবে। অপরাধ করে কেউ আইনের শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে মো. শরিফুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর অপহরণের শিকার স্কুলছাত্রী

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ অক্টোবর নগরকান্দা উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে কসমেটিকস কেনার উদ্দেশ্যে বের হয় ষষ্ঠ শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রী। এ সময় পথে তার গতিরোধ করেন শরিফুল ইসলাম। পরে তাকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, অপহরণের পর ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেন আসামি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালতের রায়

মামলাটি দায়েরের পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া চলে। এ সময় আদালতে বিভিন্ন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়।

শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত শরিফুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এরপর তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাঁকে অতিরিক্ত তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

তবে রায় ঘোষণার দিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রায়ে সন্তুষ্ট রাষ্ট্রপক্ষ

রায়ের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।

তিনি আরও বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে কঠোর বার্তা পৌঁছাবে। অপরাধ করে কেউ আইনের শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না।