অর্থ আত্মসাৎ: ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুলের জামিন স্থগিত
- আপডেট সময় : ০৩:৫৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের জামিন আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।
মামলাটিতে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৯৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত শেষে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি নজরুল ইসলামসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম ভূইয়া নজরুল ইসলামের জামিনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার আদালত তার জামিন স্থগিতের আদেশ দেন।
২০২২ সালে মামলা, প্রধান আসামি নজরুল ইসলাম
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২২ সালে ঢাকার শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। কোম্পানির আইন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়।
মামলাটি দায়েরের পর থেকে নজরুল ইসলামের গ্রেপ্তার, রিমান্ড, কারাবাস ও জামিন নিয়ে একাধিক ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন সময়ে আদালতের আদেশে তার কারাবাস ও জামিনের বিষয়ে পরিবর্তন আসে।
নজরুল ইসলামের গ্রেপ্তার ও জামিনের ঘটনাপ্রবাহ
২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রথমবার গ্রেপ্তার হন নজরুল ইসলাম। প্রায় তিন মাস কারাবাসের পর ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি।
পরবর্তী সময়ে জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর আদালত তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর একই বছরের ১১ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান তিনি। পরে ১৩ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে স্থায়ী জামিন লাভ করেন নজরুল ইসলাম।
সর্বশেষ তার জামিন স্থগিতের আদেশের ফলে মামলাটি আবারও আলোচনায় এসেছে। আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত জামিন স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রমে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নজর থাকবে সংশ্লিষ্টদের।


























