০৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

বাজারে চড়া দামে আগাম শীতের সবজি, কমেছে কাঁচামরিচ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির দাম চড়া। পেঁপে ছাড়া অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। শীতের মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও বাজারে শিমের দাম উঠেছে কেজিতে ২০০ টাকা। তবে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি এসেছে কাঁচামরিচের দামে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজি, মাছ, মাংস ও ডিমের দামে এমন চিত্র দেখা গেছে।

চড়া দামে আগাম শীতের সবজি

বাজারে বর্তমানে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা। টমেটোর দাম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা এবং গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া বরবটি, ঝিঙে ও করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। আকার ও ধরনের ওপর নির্ভর করে প্রতিটি লাউয়ের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা। শিমের কেজি ২০০ টাকা হওয়ায় আগাম শীতের সবজির বাজারে বাড়তি চাপ দেখা যাচ্ছে।

মাংস ও ডিমের দাম প্রায় অপরিবর্তিত

মাংস ও ডিমের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এক ডজন ডিমের দাম ১৫৫ টাকা। আর চারটি ডিম কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৫৫ টাকা।

মাছের বাজারে দামে পার্থক্য

মাছের বাজারে মোটামুটি স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছের আকার, তাজা বা মৃত হওয়া এবং বাজারভেদে দামে পার্থক্য রয়েছে। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

সহজলভ্য মাছের মধ্যে পাঙাশ ও তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি। আকারভেদে রুই ও কাতলার দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা।

চাষের কই, শিং, মৃগেল, পাবদা, ভেটকি ও পোয়া মাছের দাম পড়ছে কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকা।

দামি মাছের কেজি হাজার টাকা ছাড়িয়েছে

দেশি কই, বাইম, ট্যাংরা ও সাধারণ শোলের দাম তুলনামূলক বেশি। এসব মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে চিংড়ি, রূপচাঁদা, নদীর বেলে ও বড় শোলের মতো দামি মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

সরবরাহের ওপর নির্ভর করছে মাছের দাম

বিক্রেতারা বলছেন, মাছের নির্দিষ্ট কোনো দাম নেই। মূলত সরবরাহের ওপরই দাম নির্ভর করে। বাজারে মাছের সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কমে যায়। আবার ক্রেতার চাপ বাড়লে দামও বেড়ে যায়।

এমনকি একই বাজারে সকাল ও বিকেলের মধ্যেও মাছের দামে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাজারে চড়া দামে আগাম শীতের সবজি, কমেছে কাঁচামরিচ

আপডেট সময় : ০১:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির দাম চড়া। পেঁপে ছাড়া অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। শীতের মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও বাজারে শিমের দাম উঠেছে কেজিতে ২০০ টাকা। তবে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি এসেছে কাঁচামরিচের দামে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজি, মাছ, মাংস ও ডিমের দামে এমন চিত্র দেখা গেছে।

চড়া দামে আগাম শীতের সবজি

বাজারে বর্তমানে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা। টমেটোর দাম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা এবং গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া বরবটি, ঝিঙে ও করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। আকার ও ধরনের ওপর নির্ভর করে প্রতিটি লাউয়ের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা। শিমের কেজি ২০০ টাকা হওয়ায় আগাম শীতের সবজির বাজারে বাড়তি চাপ দেখা যাচ্ছে।

মাংস ও ডিমের দাম প্রায় অপরিবর্তিত

মাংস ও ডিমের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এক ডজন ডিমের দাম ১৫৫ টাকা। আর চারটি ডিম কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৫৫ টাকা।

মাছের বাজারে দামে পার্থক্য

মাছের বাজারে মোটামুটি স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছের আকার, তাজা বা মৃত হওয়া এবং বাজারভেদে দামে পার্থক্য রয়েছে। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

সহজলভ্য মাছের মধ্যে পাঙাশ ও তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি। আকারভেদে রুই ও কাতলার দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা।

চাষের কই, শিং, মৃগেল, পাবদা, ভেটকি ও পোয়া মাছের দাম পড়ছে কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকা।

দামি মাছের কেজি হাজার টাকা ছাড়িয়েছে

দেশি কই, বাইম, ট্যাংরা ও সাধারণ শোলের দাম তুলনামূলক বেশি। এসব মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে চিংড়ি, রূপচাঁদা, নদীর বেলে ও বড় শোলের মতো দামি মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

সরবরাহের ওপর নির্ভর করছে মাছের দাম

বিক্রেতারা বলছেন, মাছের নির্দিষ্ট কোনো দাম নেই। মূলত সরবরাহের ওপরই দাম নির্ভর করে। বাজারে মাছের সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কমে যায়। আবার ক্রেতার চাপ বাড়লে দামও বেড়ে যায়।

এমনকি একই বাজারে সকাল ও বিকেলের মধ্যেও মাছের দামে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।