০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সু চিকে নিয়ে নমনীয়তার বার্তা দিলেন মিন অং হ্লেইং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিয়ানমারের কারাবন্দি গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির প্রতি ‘অত্যন্ত নমনীয়’ আচরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লেইং। ২০২১ সালে সু চির সরকার উৎখাতের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হলেও পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপ না হয়, সে জন্য তার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব চেষ্টা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মার্কিন সাময়িকী টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন মিন অং হ্লেইং।

সু চিকে নিয়ে যা বললেন মিন অং হ্লেইং

সাক্ষাৎকারে মিন অং হ্লেইং বলেন, ‘আমি তার প্রতি অত্যন্ত নমনীয় থেকেছি।’ তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি যাতে এই পর্যায়ে না পৌঁছায়, সে জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছিল।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। পরে সু চিকে বিভিন্ন মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাজানো বলে অভিযোগ করে আসছে।

গৃহবন্দি অবস্থায় সু চি

মিয়ানমারের সেনাশাসক হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের পর গত এপ্রিলে মিন অং হ্লেইং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি সেনাপ্রধান ছিলেন।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত এপ্রিলে সু চিকে কারাগার থেকে সরিয়ে রাজধানী নেপিদোর একটি বাড়িতে গৃহবন্দি করা হয়। গত আগস্টে থাইল্যান্ড সফরের আগে সু চির সঙ্গে রেড ক্রসের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বৈঠকের কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়।

সু চিকে ক্ষমা করার বিষয়ে মিন অং হ্লেইং বলেন, বিষয়টি ‘তার নিজের ওপরই নির্ভর করছে’। তবে পুনর্বিবেচনার সুযোগ তৈরি হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক

গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে মিয়ানমারে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ওই নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নির্বাচনে সু চির দলকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়া এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের কারাগারে রাখার অভিযোগও রয়েছে।

বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মিন অং হ্লেইংয়ের নেতৃত্বাধীন বেসামরিক প্রশাসনকে সামরিক বাহিনীর প্রভাবাধীন সরকার হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তবে মিন অং হ্লেইং বলেছেন, গণতন্ত্রের বিভিন্ন রূপ রয়েছে। মিয়ানমারের জন্য দেশটির সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন তিনি।

সূত্র: এএফপি

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সু চিকে নিয়ে নমনীয়তার বার্তা দিলেন মিন অং হ্লেইং

আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিয়ানমারের কারাবন্দি গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির প্রতি ‘অত্যন্ত নমনীয়’ আচরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লেইং। ২০২১ সালে সু চির সরকার উৎখাতের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হলেও পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপ না হয়, সে জন্য তার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব চেষ্টা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মার্কিন সাময়িকী টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন মিন অং হ্লেইং।

সু চিকে নিয়ে যা বললেন মিন অং হ্লেইং

সাক্ষাৎকারে মিন অং হ্লেইং বলেন, ‘আমি তার প্রতি অত্যন্ত নমনীয় থেকেছি।’ তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি যাতে এই পর্যায়ে না পৌঁছায়, সে জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছিল।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। পরে সু চিকে বিভিন্ন মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাজানো বলে অভিযোগ করে আসছে।

গৃহবন্দি অবস্থায় সু চি

মিয়ানমারের সেনাশাসক হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের পর গত এপ্রিলে মিন অং হ্লেইং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি সেনাপ্রধান ছিলেন।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত এপ্রিলে সু চিকে কারাগার থেকে সরিয়ে রাজধানী নেপিদোর একটি বাড়িতে গৃহবন্দি করা হয়। গত আগস্টে থাইল্যান্ড সফরের আগে সু চির সঙ্গে রেড ক্রসের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বৈঠকের কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়।

সু চিকে ক্ষমা করার বিষয়ে মিন অং হ্লেইং বলেন, বিষয়টি ‘তার নিজের ওপরই নির্ভর করছে’। তবে পুনর্বিবেচনার সুযোগ তৈরি হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক

গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে মিয়ানমারে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ওই নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নির্বাচনে সু চির দলকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়া এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের কারাগারে রাখার অভিযোগও রয়েছে।

বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মিন অং হ্লেইংয়ের নেতৃত্বাধীন বেসামরিক প্রশাসনকে সামরিক বাহিনীর প্রভাবাধীন সরকার হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তবে মিন অং হ্লেইং বলেছেন, গণতন্ত্রের বিভিন্ন রূপ রয়েছে। মিয়ানমারের জন্য দেশটির সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন তিনি।

সূত্র: এএফপি