০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ৫ মিনিটে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ইস্তাম্বুল হয়ে নিউইয়র্ক

প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট শেষে বিমানটি তুরস্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের ট্রানজিট শেষে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে ফ্লাইটটি।

নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।

এরপর মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে নেওয়া হবে। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

জাতিসংঘের বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণ

সফরসূচি অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি।

একই দিন সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

২৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ‘বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা’ এবং ‘জলবায়ু পদক্ষেপ ও ন্যায়সংগত উত্তরণ’ বিষয়ক বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন।

এদিন রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও একটি পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরার কথা রয়েছে।

জলবায়ু ও মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে বক্তব্য

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বের হুমকি নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

জলবায়ু-সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশকে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে তুলে ধরার কথা রয়েছে। সেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতি এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এ ছাড়া মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং ধাত্রীবিদ্যা নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এতে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার কথা রয়েছে।

একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।

এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত এবং শরণার্থী ও মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

অর্থনৈতিক কূটনীতিতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক

সফরকালে অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা, ওয়াল স্ট্রিট এবং কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেএফকে বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১১:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ৫ মিনিটে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ইস্তাম্বুল হয়ে নিউইয়র্ক

প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট শেষে বিমানটি তুরস্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের ট্রানজিট শেষে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে ফ্লাইটটি।

নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।

এরপর মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে নেওয়া হবে। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

জাতিসংঘের বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণ

সফরসূচি অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি।

একই দিন সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

২৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ‘বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা’ এবং ‘জলবায়ু পদক্ষেপ ও ন্যায়সংগত উত্তরণ’ বিষয়ক বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন।

এদিন রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও একটি পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরার কথা রয়েছে।

জলবায়ু ও মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে বক্তব্য

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বের হুমকি নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

জলবায়ু-সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশকে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে তুলে ধরার কথা রয়েছে। সেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতি এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এ ছাড়া মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং ধাত্রীবিদ্যা নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এতে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার কথা রয়েছে।

একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।

এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত এবং শরণার্থী ও মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

অর্থনৈতিক কূটনীতিতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক

সফরকালে অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা, ওয়াল স্ট্রিট এবং কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেএফকে বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।