মাওয়া-শিমুলিয়া ঘাটে পর্যটকদের কাছ থেকে অবৈধ ইজারার টাকা আদায়ের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৬২ বার পড়া হয়েছে
পদ্মাসেতু চালুর পর বন্ধ হয়ে গেছে মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট। এখন কেউ নদী পার হতে না আসলেও পদ্মাসেতু ও নদীর শান্ত ঢেউ ও জলরাশি উপভোগ করতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক। এই ঘাটগুলো বিআইডব্লিউটিএ’র আওতাধীন হওয়ায় ইজারাদার আগত পর্যটকদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করছে। এ ব্যাপারে টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ’র কেউই কথা বলতে রাজি হননি। আর উপজেলা প্রশাসন বলছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাটে এক সময় ফেরি, লঞ্চ, স্টিমারসহ চলাচল করতো নানা ধরনের নৌযান। তবে গেলো কয়েক বছর ধরে পদ্মাসেতু চালু হওয়ায় বিলীন হয়ে গেছে ঘাটগুলো। তবে এখন পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে উঠে মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট।
পদ্মার পাড়ে বেড়াতে আসেন বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ। সপ্তাহে দুদিন পর্যটকদের চাপ থাকে বেশি। নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশ ও নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের নজরদারী থাকলেও অধিকাংশ পর্যটকবাহী ট্রলার ও স্পিডবোর্ডগুলো লাইফ জ্যাকেট ও বয়া ছাড়াই নদীতে চলাচল করছে। হোটেলগুলোতে নেয়া হচ্ছে খাবারের অতিরিক্ত দাম।
ট্রলার ও স্পিডবোটগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া ও ঘাটের বেঞ্চগুলোতে বসলেই বাড়তি ৫০ টাকা করে আদায় করে ইজারাদারের লোকেরা। এমনটাই অভিযোগ করেছে আগত পর্যটকরা।
পর্যটকদের মতে, ঘাটের এ অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনাগুলো দূর করা হলেই পর্যটকবান্ধব হয়ে উঠবে মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট।






















