মব সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে : ইফতেখারুজ্জামান
- আপডেট সময় : ০৮:২৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৫৯৯ বার পড়া হয়েছে
সংসদ নির্বাচনের তফসিলের পর অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান টিআইবি। ‘কর্তৃত্ববাদ পতন-পরবর্তী দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে । প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মব সন্ত্রাস যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে। অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো মেয়াদেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক। কাঙ্ক্ষিত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নেও ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি টিআইবি’র।
কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতনের পর কেটে গিয়েছে দেড় বছর। এ সময় জনগণের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির হিসাব তুলে ধরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- টিআইবি। ২০২৫ সালে দেশজুড়ে ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ১০২ জন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে এক হাজার ৩৩৩টি অস্ত্র লুট হয়।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সংস্কারের ক্ষেত্রে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের অনড় অবস্থানের কারণে জুলাই সনদ দুর্বল হয়ে পড়েছে।
গত ১৭ মাসে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৫০টি ঘটনায় বিএনপি, ১২৪টি ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ৪৬টি ঘটনায় জামায়াত সম্পৃক্ত ছিল।
তিনি বলেন, জবাবদিহিতা না থাকায় জনআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
দেশের প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই দলীয়করণের শিকার। বাংলাদেশে মব সংস্কৃতির উৎপত্তি হয়েছে সরকার থেকেই যার কেন্দ্রস্থল হিসেবে সচিবালয়কে দায়ী করেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক।











