নানা অনিয়মের মধ্যদিয়েই চলছে কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারের কার্যক্রম
- আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৫৮৭ বার পড়া হয়েছে
নানা অনিয়মের মধ্যদিয়েই চলছে কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারের কার্যক্রম। সিটি কর্পোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থা নোটিশের পরেও নেয়া হচ্ছে না কোন ধরনের পদক্ষেপ। দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে চিঠি দেয়ার পরেও কোন ধরনের উত্তর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, অতি দ্রুত জনস্বার্থে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার মধ্যদিয়ে চলছে কুমিল্লা ট্রমা সেন্টার। অবকাঠামো, দুর্নীতি ও অপ চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ অহরহ।এখানে দালালের মাধ্যমে রোগী আনার পর ভুল চিকিৎসায় মারা যাওয়া রোগীদের স্বজনদের আহাজারি যেন থামছেই না। সুবিচার প্রত্যাশা করেন তারা।
২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট ট্রমা সেন্টারের ১৫ তলা ভবনের প্ল্যান পাস করা হয়। ভবনের পাশে ড্রেন নির্মাণ করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখার নিয়ম থাকলেও তিন পাশে কোনো জায়গা রাখা হয়নি। নেই কোন পার্কিং এর ব্যবস্থা। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত হাসপাতাল মালিক ডা. মো. আবদুল হক বরাবর চার দফায় অপসারণ নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি তিনি। সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী জানায়, এই প্রতিষ্ঠানকে স্বেচ্ছায় ভবন সরিয়ে নেয়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে। তাদের কোন ধরনের ভ্রুক্ষেপ নেই, তবে এসকল ভবন ভাংগা হবেই।
বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা সঠিক ভাবে পরিপালন করতে হবে। অন্যথায় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ট্রমা সেন্টারের মালিক ও তার পার্টনারের বিরুদ্ধে দুদুকেও একটি অভিযোগ রয়েছে। যেখানে উল্লখ করা হয়, আব্দুল হক ও ইউসুফ চৌধুরীর যে পরিমান সম্পদ ও ব্যাবসা রয়েছে তা অবৈধ ভাবে আয় করা। দুদুকের জেলার শীর্ষ কর্মকর্তা জানায়, তাদের দুজনের নামে নভেম্বর মাসে একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে, তাদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রমান সংগ্রহ করা হচ্ছে।
জনস্বার্থে এধরনের অনিয়ম দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
হাসপাতাল কতৃপক্ষের সাথে বারবার যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হলে তারা ক্যামেরায় কথা বলতে অপারকতা প্রকাশ করে বলে যেখানে অভিযোগ সেই অধিদপ্তরে জবাব দিবো। কুমিল্লা শহরের গুরুত্বপূর্ন এলাকায় ট্রমা সেন্টারের অবস্থান। হাসপাতালটি ন্যায্য মূল্যে সেবা পাবে গ্রহিতারা এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।






















