ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় মুশফিকুর রহমান
- আপডেট সময় : ১২:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২০৪৯ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত ৩ নভেম্বর প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তিনি কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করছেন। গত ২০ ডিসেম্বর চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি পেয়ে তাঁর এবং দলের সমর্থকদের মধ্যে বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুশফিকুর রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির হয়ে এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে এলাকায় সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, বেকারত্ব নিরসনে শিক্ষাব্যবস্থায় সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। তাঁর সময়কালের কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখনো স্থানীয়দের কাছে আলোচিত বলে জানান এলাকাবাসী।
সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় কসবা–আখাউড়ায় মাদক চোরাচালান দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। স্থানীয়দের মতে, মুশফিকুর রহমান সাংসদ থাকাকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা হয়।
তিনি ২০০১-২০০৬ বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত থেকে সরকারের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অবদান রাখেন। এরই ধারাবাহিকতায়, তিনি ২০০৮, ২০১৮ এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে বারবার মনোনীত হয়েছেন। আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলনে গঠিত কমিটিতে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।
এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ বজায় রাখার কারণে তাঁর প্রতি দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, অতীতে তাঁর সময়ে দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় ছিল। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যেও নিরাপত্তা ও স্বস্তির পরিবেশ ছিল বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেন।
গত প্রায় ১৭ বছর ধরে তিনি রাজনৈতিক বহু প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাঁর প্রতি বিএনপি সমর্থকদের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের মধ্যেও একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কসবা–আখাউড়া আসনে ভোটার উপস্থিতি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এদিকে মুশফিকুর রহমান সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভোটাররা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্যে উন্মুখ হয়ে আছে। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)















