দিনাজপুরে ফসলের মাঠে সোনালি ঢেউ, তবু কৃষকের চোখে দীর্ঘশ্বাস
- আপডেট সময় : ০৫:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২২০০ বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরের ফসলভরা মাঠে আজও সোনালি ঢেউ। সকালবেলার সূর্যের কিরণ যেন থমকে দাঁড়ায় এই দৃশ্যের সামনে। কিন্তু কৃষকের চোখে নেই সেই হাসি—ভরা মাঠের ভেতর লুকিয়ে আছে দীর্ঘশ্বাস। ন্যায্য মূল্য অধরা, সরকারের কাছে ধান বিক্রির স্বপ্ন অসম্পূর্ণ। আর স্থানীয় জাতের ধান ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের পাতায়।
জেলার ১৩টি উপজেলায় এবারের আমন আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮ শতাংশ ধান ঘরে উঠেছে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন ৩.৫ মেট্রিক টন—কাগজে-কলমে সফলতার গল্প, বাস্তবে কৃষকের ঘরে শুধু ক্ষতি ও হতাশা। কৃষকরা জানালেন,ধান তো হয়েছে ভালো।যেনো খরচের টাকা উঠানোই দায়।
এদিকে, কৃষি ক্ষেত্রে বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ। নারী শ্রমিকরা বলছেন,কয়েকজন মিলে দলে দলে কাজ করেন, সারাদিন পুরুষের মতোই শ্রম করেন, তবুও তাদের মজুরি কম। এখন বাচ্চা-সংসার নিয়ে চলা কঠিন হয়ে যাচ্ছে নারী শ্রমিকদের।
এদিকে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে এরই মধ্যে ৬৮ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন প্রায় ৩.৫ মেট্রিক টন।
জেলা খাদ্য বিভাগ জানিয়েছে, ৩৯ টাকা কেজিতে ২,৬৬১ মেট্রিক টন মোটা ধান, আর ৫০ টাকা কেজিতে ৫৮,১০১ মেট্রিক টন আতপ মোটা চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত আছে।





















