তিনদিন আটকে রেখে নির্যাতনের পর হত্যা মামলায় এক শিক্ষার্থীকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ
- আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ মার্চ ২০২২
- / ১৬১৯ বার পড়া হয়েছে
মাদারীপুরের কালকিনিতে তিনদিন আটকে রেখে নির্যাতনের পর এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যা মামলায় আদালতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে গোয়েন্দা পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে শিক্ষার্থীর পরিবার। হত্যা মামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও পুলিশের এমন কান্ডে ক্ষুব্ধ আইনজীবিরা। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত এসআই হিমেল রানা। আর একইভাবে সাফাই গাইলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারও।
কৃষকলীগ নেতা মানিক সরদার হত্যা মামলার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার রাত ৯টায় ডেকে পাঠানো হয় সানিকে। মাদারীপুর জেলার গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে যান তার পরিবারের সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়ার কথা থাকলেও গ্রেফতার দেখিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী সানিকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায় পুলিশ।
সানির পরিবারের অভিযোগ, তিনদিন আটকে রেখে নির্যাতন করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিমেল রানাসহ ডিবি অন্য সদস্যরা। পরে আদালতে চালান দেয়া হয়। এরই প্রতিবাদে অভিযুক্তদের বিচার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন ডাকে সানির পরিবার।
ভক্সপপ-পরিবারের বক্তব্য।
গ্রেফতারের পর আসামীকে ২৪ ঘন্টার বেশি আটকে রাখার কোন সুযোগ নেই বলে জানান মাদারীপুর আদালতের আইনীজীবিরা।
তবে নির্যাতন ও আদালতে পাঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত এসআই। সংশ্লিষ্ট থানার অন্য কর্মকর্তাও একই কথা জানিয়েছেন।
গেলো ৭ ফেব্রুয়ারি দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন কৃষকলীগ নেতা মানিক সরদার। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সীমা খানম বাদী হয়ে কালকিনি থানায় ১৭ জনকে আসামী করে মামলা করেন। এজাহারে সানির নাম নেই। সানি কালিনগর ফাসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী।























