জনবল সংকট আর সফটওয়ার জটিলতায় ভোগান্তি বাড়ছে, ই-পাসপোর্ট গ্রাহকদের
- আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২
- / ১৬৫১ বার পড়া হয়েছে
প্রশিক্ষিত জনবল সংকট আর সফটওয়ার জটিলতায় ভোগান্তি বাড়ছে ই-পাসপোর্ট গ্রাহকদের। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট- এমআরপি এবং ই-পাসপোর্ট চালুর পর গ্রাহক ভোগান্তি কমার কথা থাকলেও এই পদ্ধতিতে গ্রাহক অসন্তোষ কমেনি। বরং আগের মতোই রয়েছে সব। বলা হচ্ছে, পাসপোর্টের চাহিদা বেড়েছে, বাড়েনি সক্ষমতা ও লোকবল।
জনবল সংকট, দালালদের দৌরাত্ম, কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা আর রোহিঙ্গা নাকি দেশের নাগরিক, তা সনাক্তের নামে ফিঙ্গার প্রিন্ট- সব মিলিয়ে নতুন পাসপোর্ট হাতে পাওয়া বা নবায়ন করা এখন মহাঝামেলা।
২০২০ সালের ২২শে জানুয়ারি ই-পাসপোর্ট কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।তবুও আবেদন জমা বা ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার জন্য সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়াতে হয় গ্রাহকদের। অনেকেই মাসের পর মাস ঘুরেও পাচ্ছেন না নতুন বা নবায়নকৃত পাসপোর্ট।
দালাল ধরেলেই সহজে মিলবে পাসপোর্ট, এছাড়া পাসপোর্টের ভুল সংশোধন করতে গিয়েও বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট এমআরপি এবং ই-পাসপোর্ট চালু হয় ধাপে ধাপে। ফলে, বেড়েছে পাসপোর্ট করার হারও, বিশেষ করে ঢাকায়। কিন্তু উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি লোকবল। এবিষয়ে কথা বলতে আমরা গিয়েছিলাম ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসে। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তাদের মতামত পাওয়া যায়নি।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকেও মাঝে মাঝে পড়তে হয় নানা সমস্যায়। এমনটাই জানান, উত্তরা কার্যালয়ের প্রধান উপ-পরিচালক।
দেশে প্রায় ১০ হাজার ডাক অফিস আছে, পাসপোর্ট বিতরণের জন্য ডাক অফিস ব্যাবহার করলে অনেকটা চাপ কমে আসবে পাসপোর্ট অফিসের উপর।এমনটাই মনে করেন ভুক্তভোগীরা।






















