যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি : পানিবন্দী চর ও নিম্নাঞ্চলের হাজারো মানুষ
- আপডেট সময় : ০৫:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ অগাস্ট ২০২১
- / ১৫৬৩ বার পড়া হয়েছে
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে সিরাজগঞ্জ, মাদারীপুর ও মানিকগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন চর ও নিম্নাঞ্চলের হাজারো মানুষ।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে দু’সপ্তাহ ধরে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। পানি বাড়তে থাকায়জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙ্গন।
মাদারীপুরে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি। হুমকির মুখে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের জাফরাবাদ ও বাহেরচর-কাতলা গ্রাম। ঘরবাড়ি হারিয়ে দিশেহারা নদের পাড়ের মানুষ। অনেক এলাকায় ভাঙ্গন প্রতিরোধে সকাল থেকেই বিভিন্ন পয়েন্টে শুরু হয়েছে ডাম্পিং।
মানিকগঞ্জের যমুনা নদীর পানি আরিচা পয়েন্টে ২৪ ঘন্টায় ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেলেও বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। এতে জেলার দৌলতপুর ও হরিরামপুর উপজেলার নিম্মাঞ্চলে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন ফসলী জমি। তাছাড়া এ দুই উপজেলার কয়েক ইউনিয়নের সড়কেও পানি উঠেছে।
পদ্মা নদীর পানি বাড়তে থাকায় ফরিদপুরে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। পদ্মার পানি ফরিদপুর পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বইছে বিপদ সীমার ৪১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে। তীরবর্তী নিম্মাঞ্চলের হাজারো মানুষ এখন চরম দুর্ভোগে।
গত কয়েকদিন ধরে কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমারসহ সবগুলো নদীতে। এদিকে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমারের কিছু এলাকায় শুরু হয়েছে ভাঙ্গন।






















