সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ
- আপডেট সময় : ০৭:০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
- / ১৫২০ বার পড়া হয়েছে
সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের আলোচনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে জাতীয় সংসদের অধিবেশন। বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান গণরায় বাস্তবায়নে সংসদের অধিবেশন আহ্বানের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এ প্রসঙ্গে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণরায় বাস্তবায়নে আইন ও বিধি মানতে হবে। জবরদস্তি চাপিয়ে দেয়া আদেশ বা আবেগ দিয়ে সংবিধান সংস্কার সম্ভব নয়।
সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে শুরু হয় অধিবেশন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই দুই মন্ত্রীর কাছে লিখিত ৬টি প্রশ্ন রাখেন সংসদ সদস্যরা। সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী প্রথম দিনে কোনো প্রশ্নোত্তর ছিল না। এসময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিতে ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা আছে সরকারের।
এরপর জুলাইয়ের চেতনা, সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে জমে ওঠে আলোচনা। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, একটি গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে এই সংসদ। তিনি, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধনে সংসদের অধিবেশন আহ্বানের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ প্রসঙ্গে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার গণরায়কে যথাযথভাবে সম্মান দিতে প্রস্তুত। তবে, সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে আইনগতভাবে। আবেগ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা যায় না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ এবং রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায় রয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এগুলো পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। আগামী ২৯ মার্চ বিকেল ৩টা পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।



















