বৈষম্য নিরোধ আইনে মন্ত্রীর ক্ষমতার পরিধি বাড়াবার চেষ্টা করা হয়েছে
- আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ এপ্রিল ২০২২
- / ১৫৯৪ বার পড়া হয়েছে
প্রস্তাবিত বৈষম্য নিরোধ আইনের খসড়ায় থাকা অস্পষ্টতা এবং বিদ্যমান আইনের বৈষম্যমূলক ধারাগুলো দূর করা না গেলে দেশ থেকে সামাজিক বৈষম্য দূর করা কঠিন হবে বলে মনে করেন শিক্ষক, মানবাধিকার কর্মীসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। বক্তারা আরো অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত আইনে মন্ত্রীর ক্ষমতার পরিধি বাড়াবার চেষ্টা করা হয়েছে, যা আইনের জবাবদিহিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শঙ্কা তৈরী করেছে। ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা একথা বলেন।
যৌনকর্মী থেকে শুরু করে দলিত আদিবাসীসহ সমাজের নিন্মবৃত্তের একটি বড় অংশ প্রতিনিয়ত ঘরে বাইরে সামাজিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
এমন বাস্তবতায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার ফেরাতে বৈষম্য বিরোধ আইনের দাবিতে আন্দোলনে নামে বেসরকারি এনজিও সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
একদশক পর ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয় বৈষম্য বিরোধ আইনের বিল।
প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় যা চেয়েছিলেন তা পেয়েছেন কিনা, সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই মত বিনিময় সভার আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম।
প্রস্তাবিত আইনে মনিটরিং কমিটির প্রধান হিসেবে মন্ত্রীর ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগের সমালোচনা করেন বিশিষ্টজনরা।
আইনে বিদ্যমান দুর্বলতা দূর করার তাগিদ দেন তারা।
আইনটি সমাজের বিদ্যমান বৈষম্যকে নৈতিক ভিত্তি দেবে এমন অভিযোগ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।
করণীয় কি সে সম্পর্কে কথা বলেন তারা।
প্রয়োজনীয় সংশোধনীর জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করার কথাও জানান বিশিষ্টজনরা।










