‘তলাবিহীন ঝুড়ির’ অপবাদ ঘুচিয়ে উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০২:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০
- / ১৫৮৫ বার পড়া হয়েছে
একাত্তরে মাথাপিছু আয় ছিল ৯০ ডলার, বর্তমানে যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪ ডলারে, দারিদ্রসীমা ৭৬ থেকে কমে হয়েছে ২০ শতাংশ, সাক্ষরতার হার ২৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৫ শতাংশ, কৃষিতে জমির পরিমাণ কমলেও উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ, কমেছে মা ও শিশু মৃত্যুর হার। সব মিলিয়ে ‘তলাবিহীন ঝুড়ির’ অপবাদ ঘুছিয়ে, দূরন্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের রোল মডেল খ্যাত বাংলাদেশ। তবে লাল-সবুজের এতসব অর্জনের উল্টো পিঠে রয়েছে কিছু হতাশার দীর্ঘশ্বাস।
দ্রোহ, বিপ্লব এবং ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের গৌরবময় ইতিহাস রচনা করে ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয় লাল-সবুজের বাংলাদেশ।৭১ সেই অদম্য বাংলাদেশের প্রতিক হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রমত্তা পদ্মার বুকে যাত্রা শুরুর অপেক্ষায় থাকা এই সেতু। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে নিজস্ব অর্থায়নে ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি যেন হয়ে দাড়িয়েছে পুরো জাতির আত্মমর্যাদার প্রতীক।
বর্তমানে উপর থেকে ঢাকার দৃশ্য অনেকটাই এরকম। আকাশ ছোয়া ভবনের সারি বলে দেয় অর্থ নৈতিক সমৃদ্ধির কথা। সবমিলিয়ে তলা বিহীন ঝুড়ি অপবাদ ঘুছে দিয়ে উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ।তবে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু।) মাথাপিছু আয় ৯০ ডলার থেকে বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৬৪ ডলার, দারিদ্রসীমা ৭৬ থেকে কমে হয়েছে ২০ শতাংশ, স্বাক্ষরতা হার ২৫ থেকে হয়েছে ৭৪.৭ শতাংশ, কৃষি উৎপাদন বেড়েছে ৩ গুণ কমেছে মাতৃ এবং শিশু মৃত্যুর হারও।
তবে গেল ৫ দশকের মূল্যায়নে অর্জনের খাতায় পদ্মা সেতুকেই এগিয়ে রাখতে চান এই ইতিহাসবিদ।আর কৃষি ও মৎস চাষে উন্নয়ন, ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্রের হার কমাকে বড় অর্জন বলে মত দেন এই অর্থনীতিবিদ।
অন্যদিকে অবকাঠামোগত উন্নয়নের হিসেবে দেশ এগিয়ে থাকলেও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করেন এই রাজনীতিবিদ।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ জনগন দেশকে আরো বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তীর উষালগ্নে এটাই সবার প্রত্যাশা।















