জিপিএইচ ইস্পাত কারখানাটিতে গত ছয় বছরে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৮ জন শ্রমিক
- আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
- / ১৫৮৩ বার পড়া হয়েছে
সাধারণ মানুষকে দৃঢ়তার প্রতিশ্রুতির গল্প শুনিয়ে আসলেও প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেনা জিপিএইচ ইস্পাত। রড উৎপাদনকারী কারখানাটিতে গত ছয় বছরে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৮ জন শ্রমিক। আর আহত হয়েছে অন্তত ৩৩। কারখানাটিতে একের পর এক দুর্ঘটনার পরও পরামর্শ দিয়ে দায় সারছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।
২০ দিনের সন্তান কোলে নিয়ে স্বামী হারানোর শোকে পাথর হয়ে গেছেন নিহত রনজিত দাশের স্ত্রী রীমা রানী।
পরিবারের ভরণপোষনের জন্য দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরিতে জিপিএইচ ইস্পাত কারখানায় কাটারম্যান হিসেবে কাজ শুরু করেন রনজিত। ২৭ জানুয়ারী জিপিএইচ ইস্পাত কারখানায় দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান রঞ্জিত দাশ। পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষমকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবারটি
দুর্ঘটনার পরকারখানার নিরাপত্তা নিয়ে জিপিএইচের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে এসএটিভির প্রতিবেদক। সীতাকুন্ডে প্রতিষ্ঠানটির হেড অফিসে গেলে প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে অপারগত প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। তবে শ্রমিকের নিরাপত্তায় প্রতিষ্ঠান মালিকের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করেন এই মানবাধিকার কর্মী।
জিপিএইচ কারখানায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।
কারখানাটিতে আর কত শ্রমিক মারা গেলে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিবে জিপিএইচ কর্তৃপক্ষের কাছে এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের।










