১১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

চলতি বাজেটে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বরাদ্দ কেটেছে সরকার

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১
  • / ১৫৬২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনা মোকাবিলা করতে গিয়ে চলতি বাজেটে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বরাদ্দ কেটেছে সরকার। এই বাস্তবতায় আগামী বাজেটেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ না পাওয়ার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে প্রকল্পব্যায় বাড়ার পাশাপাশি দীর্ঘসুত্রিতা এমনকি জিডিপির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা করছেন অর্থনীতিবিদরা। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো থেকে বরাদ্দ কেটে যেসব খাতে ব্যয় করা হচ্ছে সেখানকার সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে সবার আগে।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বায়েজিদ লিংক রোডসহ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের চলমান অন্তত ৮ টি ছোট-বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিডিএ। ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৭ শো কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলো সরকার। কিন্তু বছর শেষে সিডিএ পেয়েছে ১৪ শো কোটি টাকা। বাকি ৩ শো কোটি টাকা কেটে নেয়া হয়েছে করোনা মোকাবিলায়। ফলে সবগুলো প্রকল্পে নেমেছে ধীরগতি।

সিডিএ’র মতো সিটি কর্পোরেশন, এলজিইডি, গণপুর্তসহ বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই বরাদ্দের পুরো টাকা বুঝে পায়নি এবছর। এই বাস্তবতায় নতুন বাজেট প্রণয়নের সময় এসেছে আবার। করোনা দীর্ঘায়িত হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়ার আশা নেই এবারো। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বরাদ্দের অভাবে চলমান প্রকল্পগুলো বন্ধ থাকলে তাতে প্রকল্পব্যায় বাড়ার পাশাপাশি অনিয়ম দুর্নীতির সুযোগও বাড়বে।

আর বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার মতো মহামারি থেকে মানুষকে বাঁচাতে অন্যান্য প্রকল্প থেকে অর্থ কাটায় দোষের কিছু নেই। কিন্তু যেসব খাতে এসব টাকা ব্যায় করা হচ্ছে সেখানকার সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন আছে জনমনে। তাই আগামী বাজেটে বরাদ্দের চেয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেখতে চান এই বিশ্লেষক।

চলতি বছর অর্থাৎ করোনার প্রথম বাজেটে বেশিরভাগ সুবিধা পেয়েছিলো বড় শিল্পগোষ্টি। তাই এবারের বাজেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের পাশাপাশি সেবাধর্মী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানান অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চলতি বাজেটে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বরাদ্দ কেটেছে সরকার

আপডেট সময় : ০২:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১

করোনা মোকাবিলা করতে গিয়ে চলতি বাজেটে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বরাদ্দ কেটেছে সরকার। এই বাস্তবতায় আগামী বাজেটেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ না পাওয়ার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে প্রকল্পব্যায় বাড়ার পাশাপাশি দীর্ঘসুত্রিতা এমনকি জিডিপির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা করছেন অর্থনীতিবিদরা। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো থেকে বরাদ্দ কেটে যেসব খাতে ব্যয় করা হচ্ছে সেখানকার সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে সবার আগে।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বায়েজিদ লিংক রোডসহ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের চলমান অন্তত ৮ টি ছোট-বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিডিএ। ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৭ শো কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলো সরকার। কিন্তু বছর শেষে সিডিএ পেয়েছে ১৪ শো কোটি টাকা। বাকি ৩ শো কোটি টাকা কেটে নেয়া হয়েছে করোনা মোকাবিলায়। ফলে সবগুলো প্রকল্পে নেমেছে ধীরগতি।

সিডিএ’র মতো সিটি কর্পোরেশন, এলজিইডি, গণপুর্তসহ বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই বরাদ্দের পুরো টাকা বুঝে পায়নি এবছর। এই বাস্তবতায় নতুন বাজেট প্রণয়নের সময় এসেছে আবার। করোনা দীর্ঘায়িত হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়ার আশা নেই এবারো। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বরাদ্দের অভাবে চলমান প্রকল্পগুলো বন্ধ থাকলে তাতে প্রকল্পব্যায় বাড়ার পাশাপাশি অনিয়ম দুর্নীতির সুযোগও বাড়বে।

আর বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার মতো মহামারি থেকে মানুষকে বাঁচাতে অন্যান্য প্রকল্প থেকে অর্থ কাটায় দোষের কিছু নেই। কিন্তু যেসব খাতে এসব টাকা ব্যায় করা হচ্ছে সেখানকার সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন আছে জনমনে। তাই আগামী বাজেটে বরাদ্দের চেয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেখতে চান এই বিশ্লেষক।

চলতি বছর অর্থাৎ করোনার প্রথম বাজেটে বেশিরভাগ সুবিধা পেয়েছিলো বড় শিল্পগোষ্টি। তাই এবারের বাজেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের পাশাপাশি সেবাধর্মী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানান অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।