খুলনায় সাপ্তাহিক ছুটিতে তেল নিতে এসে বিপাকে ট্যাংক লরি চালক ও শ্রমিকরা
- আপডেট সময় : ১০:৩৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
খুলনার দৌলতপুর এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-এর অধীন তিনটি জ্বালানি তেল বিপণন প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড থেকে প্রতিদিন খুলনা বিভাগসহ দেশের ২১টি জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। তবে সাপ্তাহিক ছুটির কারণে শুক্র ও শনিবার ডিপোগুলো বন্ধ থাকায় তেল নিতে এসে বিপাকে পড়েছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ট্যাংক লরি চালক ও শ্রমিকরা।
শনিবার সকাল থেকেই তিনটি ডিপোর সামনে দেখা যায় তেল নিতে আসা শতাধিক ট্যাংক-লরি। দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তারা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল নিতে পারছেন না। ফলে, পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি সময়সূচিও এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, ডিপো থেকে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব পড়েছে পেট্রোল পাম্পগুলোতেও। অনেক পাম্পে তেল নেই। এতে, যান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য এমনকি শিক্ষা কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটছে। সাধারণ ভোক্তাদের দাবি, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা কিংবা প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার অজুহাত নয় দ্রুত সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করে কৃত্রিম সংকট বন্ধ করতে হবে।
অন্যদিকে,আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব দেখিয়ে ডিপোগুলোতে চাহিদামতো জ্বালানি না পাওয়ায় ট্যাংক লরি শ্রমিকরাও পড়েছেন চরম বিপাকে। তাদের অভিযোগ, রেশনিং ব্যবস্থার কারণে দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও সামান্য তেল মিলছে।এতে, কৃষি ও শিল্পখাতের পরিবহন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
এ পরিস্থিতির জন্য সীমিত সরবরাহের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত তেল মজুদের প্রবণতাকেও দায়ী করছেন পাম্প মালিকরা।ডিপো থেকে সরবরাহ সীমিত হওয়ায় পাম্পগুলোতে সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে।তবে, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।
তবে ডিপো কর্তৃপক্ষ বলছেন, আগামীকাল থেকেই ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনা শুরু হলে সব সংকট কেটে যাবে।




















