কোরিয়ান স্কিনকেয়ার: বাংলাদেশে সৌন্দর্য চর্চার নতুন যুগ
- আপডেট সময় : ১০:০১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৮৯ বার পড়া হয়েছে
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কোরিয়ান স্কিনকেয়ার একটি বিপ্লব এনেছে। কে-ড্রামা আর কে-পপের পাশাপাশি কোরিয়ান বিউটি রুটিনও এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই ট্রেন্ডের পেছনে আসল কারণ কী?
কোরিয়ান স্কিনকেয়ারের মূল ভিত্তি হলো প্রিভেনশন। তারা বিশ্বাস করে যে ত্বকের সমস্যা হওয়ার আগেই যত্ন নেওয়া উচিত। এই দর্শন থেকেই এসেছে তাদের বিখ্যাত ১০-স্টেপ রুটিন, যেখানে রয়েছে ডাবল ক্লিনজিং, টোনার, এসেন্স, সিরাম, শিট মাস্ক এবং সানস্ক্রিন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার বলেন, “আমি প্রায় দুই বছর ধরে কোরিয়ান প্রোডাক্ট ব্যবহার করছি। আমার ব্রণের দাগ অনেকটাই কমে গেছে। তবে শুরুতে অরিজিনাল প্রোডাক্ট খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট হতো।”
বাংলাদেশে কোরিয়ান বিউটি প্রোডাক্টের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাজারে নকল পণ্যের সংখ্যাও বেড়েছে। এ কারণে GlowBD-এর মতো বিশ্বস্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে, যেখান থেকে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে অথেন্টিক প্রোডাক্ট কিনতে পারেন।
ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. ফারহানা ইসলাম জানান, ‘কোরিয়ান প্রোডাক্টে সাধারণত হাইয়ালুরনিক এসিড, নায়াসিনামাইড, স্নেইল মিউসিনের মতো উপাদান থাকে যা আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। তবে প্রোডাক্ট সিলেকশনের সময় নিজের স্কিন টাইপ বুঝে কেনা জরুরি।’
কোরিয়ান স্কিনকেয়ারের আরেকটি বড় সুবিধা হলো এটি সব বয়সের জন্য উপযুক্ত। ২০ বছর বয়স থেকেই যদি সঠিক রুটিন মেনে চলা যায়, তাহলে ৪০-৫০ বছর বয়সেও ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।
বাংলাদেশে এখন অনেক ই-কমার্স সাইট কোরিয়ান প্রোডাক্ট বিক্রি করলেও, অরিজিনালিটি নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ক্রেতাদের উচিত সবসময় অথরাইজড সেলার থেকে কেনা এবং প্রোডাক্টের ব্যাচ নম্বর, এক্সপায়ারি ডেট যাচাই করা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোরিয়ান স্কিনকেয়ার শুধু একটি ট্রেন্ড নয়, এটি একটি লাইফস্টাইল। নিয়মিত যত্ন এবং ধৈর্যই এর সফলতার মূল চাবিকাঠি। আর সঠিক প্রোডাক্ট সিলেকশন নিশ্চিত করতে পারলে, গ্লাস স্কিন পাওয়া আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)






















