কিশোরগঞ্জে প্রস্তুত ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দান
- আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে এবার অনুষ্ঠিত হবে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত। ঐতিহ্যবাহী এ মাঠে প্রতিবারই জেলা ছাড়াও সারাদেশ থেকে কয়েক লাখ মুসুল্লি ঈদের জামাতে অংশ নেন। এরই মধ্যে ঈদ জামাতের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে, জেলা প্রশাসন। ঈদ জামাতকে ঘিরে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এবার জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
সবশেষ তুলির আঁচড়ে রংয়ের প্রলেপ ছুঁয়ে যাচ্ছে ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীরে। ঈদের নামাজে মুসুল্লিদের কাতার ধরার দাগ কাটাও শেষ পর্যায়ে। প্রতিবছর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠে ঈদের জামাতের জন্য নেয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। কারণ স্থানীয় ও আশেপাশের এলাকা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে আসেন হাজার হাজার মুসুল্লি। বংশ পরম্পরায় এ মাঠে নামাজ পড়েন দেশের বিভিন্ন জেলার মুসুল্লিরা। তাদের কথাও মাথায় রাখতে হয়। এ মাঠে ঈদের একটিমাত্র জামাত সকাল দশটায় অনুষ্ঠিত হবে।
ঈদগাহর নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে ৬টি ওয়াচ টাওয়ার, চারটি ড্রোন ক্যামেরাসহ পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, রেব, বিজিবি, সাদা পোশাকের গোয়েন্দা বাহিনীসহ কয়েক স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে পুরো জেলা শহরসহ ঈদগাহ মাঠ। জানালেন পুলিশ সুপার।
দূর-দূরান্তের মুসুল্লিদের সুবিধার্থে ঈদের দিন ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
ইতিহাস সূত্র জানায়, ১৮২৮ সালে প্রথম ঈদুল ফিতরের বড় জামাতে এ মাঠে সোয়ালাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় “সোয়া লাখিয়া”– যা সংক্ষেপে এখন শোলাকিয়া নামে পরিচিত।




















