০৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উত্তপ্ত ফ্রান্সে এক রাতে গ্রেপ্তার ১৩০০ বিক্ষোভকারী

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩
  • / ১৮৫৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় গোটা ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে৷ দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে ৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ৷ শুক্রবার রাতে এক হাজার ৩০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

ফ্রান্সের রাজপথ এখনও উত্তপ্ত৷ বিপণিবিতানগুলোতে লুটপাটের খবরও পাওয়া গেছে৷ পুলিশের হাতে ওই কিশোরের মৃত্যুর চতুর্থ রাত অর্থাৎ শুক্রবার রাতে এক হাজার ৩৫০টিরও বেশি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে৷

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, রাজপথে দুই হাজার ৬৫০টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বিশেষ ইউনিটসহ শুক্রবার রাতে প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তাকে মোতায়েন করেছে ফ্রান্স৷ তারপরেও ৩১টি থানায় হামলা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ৷

ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানা শনিবার সকালে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে এক হাজার ৩১১ জনকে আটক করা হয়েছে৷ উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর এটিই সবচেয়ে বড় ধরপাকড়৷

গণপরিবহণগুলোকে বিক্ষোভকারীরা টার্গেট করছে বলে দেশজুড়ে সব পাবলিক বাস ও ট্রামকে রাতে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দারমানা৷ বিক্ষোভকে উসকে দেয়ার কাজে যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করা না হয়, সেই আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি৷ তার মতে, এসব ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ‘খুবই সহযোগিতা করে৷’

যে কিশোররের মৃত্যুর ঘটনায় এই দাঙ্গার সূত্র, শনিবার তার দাফনের কথা রয়েছে৷ মঙ্গলবার থেকে ফ্রান্সে এ বিক্ষোভের শুরু৷ওই দিন প্যারিসের শহরতলির নঁতের একটি তল্লাশি চৌকিতে নাহেল নামের এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেন এক পুলিশ কর্মকর্তা৷ প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ফ্রান্সে৷ যা এখন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে৷

ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার আইনজীবীর মাধ্যমে নেহালের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন৷ ওই পুলিশ কর্মকর্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন তার আইনজীবী লরেন-ফ্রাঙ্ক লিওনার্দ৷ কিন্তু তাতে চলমান বিক্ষোভের উত্তাপ কমেনি৷

নাহেলের মা ফ্রান্স ফাইভ টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যে পুলিশ কর্মকর্তা তার সন্তাকে হত্যা করেছেন, তার প্রতি তিনি ক্ষুদ্ধ, কিন্তু অন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর তিনি ক্ষুব্ধ নন৷

আলজেরিয়া থেকে আসা এই অভিবাসী মা আরো বলেন, ‘‘ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরব্য চেহারার একটি কিশোর দেখেই তার জীবন কেড়ে নিয়েছেন৷”

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷

ডয়চে ভেলে

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

উত্তপ্ত ফ্রান্সে এক রাতে গ্রেপ্তার ১৩০০ বিক্ষোভকারী

আপডেট সময় : ০৪:৩১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩

পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় গোটা ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে৷ দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে ৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ৷ শুক্রবার রাতে এক হাজার ৩০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

ফ্রান্সের রাজপথ এখনও উত্তপ্ত৷ বিপণিবিতানগুলোতে লুটপাটের খবরও পাওয়া গেছে৷ পুলিশের হাতে ওই কিশোরের মৃত্যুর চতুর্থ রাত অর্থাৎ শুক্রবার রাতে এক হাজার ৩৫০টিরও বেশি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে৷

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, রাজপথে দুই হাজার ৬৫০টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বিশেষ ইউনিটসহ শুক্রবার রাতে প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তাকে মোতায়েন করেছে ফ্রান্স৷ তারপরেও ৩১টি থানায় হামলা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ৷

ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানা শনিবার সকালে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে এক হাজার ৩১১ জনকে আটক করা হয়েছে৷ উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর এটিই সবচেয়ে বড় ধরপাকড়৷

গণপরিবহণগুলোকে বিক্ষোভকারীরা টার্গেট করছে বলে দেশজুড়ে সব পাবলিক বাস ও ট্রামকে রাতে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দারমানা৷ বিক্ষোভকে উসকে দেয়ার কাজে যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করা না হয়, সেই আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি৷ তার মতে, এসব ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ‘খুবই সহযোগিতা করে৷’

যে কিশোররের মৃত্যুর ঘটনায় এই দাঙ্গার সূত্র, শনিবার তার দাফনের কথা রয়েছে৷ মঙ্গলবার থেকে ফ্রান্সে এ বিক্ষোভের শুরু৷ওই দিন প্যারিসের শহরতলির নঁতের একটি তল্লাশি চৌকিতে নাহেল নামের এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেন এক পুলিশ কর্মকর্তা৷ প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ফ্রান্সে৷ যা এখন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে৷

ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার আইনজীবীর মাধ্যমে নেহালের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন৷ ওই পুলিশ কর্মকর্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন তার আইনজীবী লরেন-ফ্রাঙ্ক লিওনার্দ৷ কিন্তু তাতে চলমান বিক্ষোভের উত্তাপ কমেনি৷

নাহেলের মা ফ্রান্স ফাইভ টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যে পুলিশ কর্মকর্তা তার সন্তাকে হত্যা করেছেন, তার প্রতি তিনি ক্ষুদ্ধ, কিন্তু অন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর তিনি ক্ষুব্ধ নন৷

আলজেরিয়া থেকে আসা এই অভিবাসী মা আরো বলেন, ‘‘ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরব্য চেহারার একটি কিশোর দেখেই তার জীবন কেড়ে নিয়েছেন৷”

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷

ডয়চে ভেলে