ইরান-ইসরাইল সংঘাতে আমদানি-রপ্তানি নিয়ে দুশ্চিন্তায় দেশের রপ্তানিকারকেরা
- আপডেট সময় : ০৩:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
ইরান-ইসরাইল সংঘাতে আমদানি-রপ্তানি বানিজ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা। বিদেশী জাহাজ কোম্পানিগুলো এরই মধ্যে পণ্য পরিবহনে সর্তকতা জারির পাশাপাশি বিকল্প পথে পণ্য পরিবহনে বাড়তি সারচার্জ আরোপ শুরু করেছে। এতে পন্য পরিবহনে বাড়তি খরচের পাশাপাশি দীর্ঘ সময়ের ঝামেলায়ও পড়তে যাচ্ছে দেশীয় ব্যবসায়ীরা।
ইরানের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানি খুব সামান্য হলেও মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির নতুন বাজার। তাই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা ও পাল্টা হামলায় দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানি বাধাগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন রপ্তানিকারকেরা। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় পণ্য রপ্তানিতে খরচ বাড়বে- এমন আশঙ্কার কথাও বলছেন রপ্তানিকারকেরা।
এরই মধ্যে শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানি- হ্যাপাগ লয়েড এই যুদ্ধের কারণে সর্তকতা জারি করেছে। মার্কস লাইন, এমএসসি, সিএমএ-সিজিএম, কসকো ও হ্যাপাগ লয়েডও সর্তকর্তা জারির পরিকল্পনায় আছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে বাড়তি খরচের পাশাপাশি লাগবে অতিরিক্ত সময়।
অস্থির লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগর জুড়ে এই বিপদ চিন্তায় ফেলেছে আমদানি-রপ্তানিকারকদের। বর্তমানে একটি ৪০ ফুট কন্টেইনার ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে খরচ হয় ১৭শ থেকে আড়াই হাজার ডলারের মতো। যুদ্ধাবস্থা চলতে থাকলে আগামী এক সপ্তাহর মধ্যে এই ভাড়া সাড়ে ৪ হাজারে ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে আশংকা সংশ্লিষ্টদের।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারকে সতর্ক পর্যবেক্ষণ করতে হবে জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যখন যেমনটি দরকার তখন সেটি করার প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।




















