যোগ্যতার মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত কর্মজীবী নারী
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২
- / ১৭০৫ বার পড়া হয়েছে
সমাজের গদবাঁধা ও মানসিকভাবে মেনে আসা বহুদিনের নিয়মেই যাচাই হয় নারীদের যোগ্যতা। সেই অস্ত্রে বরাবরই দাবিয়ে রাখা হয় সব শ্রেণীর নারীদের। একের পর এক অজুহাতে সমাজ সংসারে মেয়েরা নারীরা অবদমিত প্রতিনিয়ত। মেয়েটি ডাক্তার কিন্তু ইন্জিনিয়ার তো নয়, মেধাবী ঠিক আছে সরকারী চাকরি তো করে না। নানা বৈষম্য ও মন্তব্য বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের জন্য স্বাভাবিক নিয়ম।
মেয়েদের যোগ্যতার মাপকাঠি তার রূপ এমনটাই শুনে থাকেন সমাজের প্রতিষ্ঠিত নারীরা।নারীদের দক্ষতা, যোগ্যতা আর পরিশ্রম ম্লান হয়ে যায় সমাজের বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্যে।সাংবাদিকতার মতো চ্যালেঞ্জিং পেশায় নেই স্বীকৃতি।
দক্ষতা, যোগ্যতা, সততার মূল্য বাংলাদেশের কর্মজীবী নারীরা পান না। মানুষ পরিচয়ে যে কোন কাজ করার সুযোগ ও সৌভাগ্যেও সবার হয় না। কিন্তু প্রতিনিয়ত নিজের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করতে হয়।
পরিবার, সন্তান ও কর্মস্থল সব সামলে দিনশেষে জয়ী অসংখ্য নারী যোদ্ধা। বিয়ের পর স্বামীকে হারিয়ে জীবন সংগ্রামে ভয়ংকর বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েও আজ পদমর্যাদায় এই নারী পুরুষের সমকক্ষ।
সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্যের শেষ কোথায় তা কারো জানা নেই। সংসার জীবনে বাবা-ভাই-স্বামী-ছেলেরা হবেন সহমর্মী। কর্মজীবনে সহকর্মীরা হবেন যোগ্য সহযোগী।
দিনশেষে জয়ের হাসি নারীরাই হাসবে এমন প্রত্যাশায় ৮ই মার্চ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস।










