০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৫৭ শিক্ষার্থী ও ৮ শিক্ষক

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৫১৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের তিন বছরের (২০২১, ২০২২ ও ২০২৩) ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষদের চারটি বিভাগের (ভূগোল ও পরিবেশ, ভূতত্ত্ব, সমুদ্রবিজ্ঞান এবং ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ) মোট ৫৭ জন শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড পান। এছাড়া গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য ৮ জন শিক্ষককে চার ক্যাটাগরিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য ৮ জন শিক্ষককে চার ক্যাটাগরিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এছাড়া কিউ-ওয়ান জার্নালে প্রকাশনার জন্য ২২ জন শিক্ষক ও ১ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, মেধাকে মূল্যায়ন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও আমরা সঙ্গে রাখতে পেরেছি। আসলে আপনারাও আমাদেরই অংশ।

উপাচার্য বলেন, মেধার অন্যতম ভিত্তি হলো পরিশ্রম। মনে রাখতে হবে, সাফল্যের পেছনে অনেকের অবদান থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের যে পরম্পরা তা তোমরা ধরে রেখেছো। এটাই আমাদের গর্ব। এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় আমাদের মূল কাজ কী।

উপাচার্য আরও বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা পড়াশোনাকে কিছুটা হলেও স্বীকৃতি দিতে পেরেছি। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারকেও সময় দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার ও শিক্ষাজীবনের ভারসাম্যই ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, এই প্রোগ্রামটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনেক গর্বের। মেধার স্বীকৃতি দিতে পারা সত্যিই এক ধরনের সার্থকতা। একজন শিক্ষক হিসেবে এটি বড় সফলতা যে তার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে। এ অর্জনের পেছনে বাবা-মায়েদের অবদান কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আয়োজকরা এ ধরনের সুযোগ করে দেওয়ায় আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার বার্তা হলো-কর্মজগত শিক্ষাঙ্গণের তুলনায় ভিন্ন। তবে মেধা, পরিশ্রম আর সততা থাকলে যেকোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অঙ্গণে যে কয়েকটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় তার মধ্যে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আয়োজনে অনুষদের শ্রেষ্ঠ গবেষকদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে-এটি সত্যিই অত্যন্ত আনন্দের খবর।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের আয়োজন শুধু শিক্ষার্থী ও গবেষকদের অনুপ্রাণিতই করে না, বিশ্ববিদ্যালয়টির ঐতিহ্যে নতুন মূল্য সংযোজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এই অনুষ্ঠানটি মূলত কিছু শিক্ষার্থী ও সহকর্মীর কৃতিত্বের স্বীকৃতির আয়োজন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা শিগগিরই কর্মবাজারে প্রবেশ করবে। সেখানে সফল হতে হলে কঠোর পরিশ্রম অপরিহার্য। একই সঙ্গে ভাগ্যের ভূমিকার কথাও মনে রাখতে হবে। ক্রমাগত পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সততা থাকলে কর্মজীবনে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। তাই এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৫৭ শিক্ষার্থী ও ৮ শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের তিন বছরের (২০২১, ২০২২ ও ২০২৩) ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষদের চারটি বিভাগের (ভূগোল ও পরিবেশ, ভূতত্ত্ব, সমুদ্রবিজ্ঞান এবং ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ) মোট ৫৭ জন শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড পান। এছাড়া গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য ৮ জন শিক্ষককে চার ক্যাটাগরিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য ৮ জন শিক্ষককে চার ক্যাটাগরিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এছাড়া কিউ-ওয়ান জার্নালে প্রকাশনার জন্য ২২ জন শিক্ষক ও ১ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, মেধাকে মূল্যায়ন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও আমরা সঙ্গে রাখতে পেরেছি। আসলে আপনারাও আমাদেরই অংশ।

উপাচার্য বলেন, মেধার অন্যতম ভিত্তি হলো পরিশ্রম। মনে রাখতে হবে, সাফল্যের পেছনে অনেকের অবদান থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের যে পরম্পরা তা তোমরা ধরে রেখেছো। এটাই আমাদের গর্ব। এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় আমাদের মূল কাজ কী।

উপাচার্য আরও বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা পড়াশোনাকে কিছুটা হলেও স্বীকৃতি দিতে পেরেছি। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারকেও সময় দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার ও শিক্ষাজীবনের ভারসাম্যই ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, এই প্রোগ্রামটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনেক গর্বের। মেধার স্বীকৃতি দিতে পারা সত্যিই এক ধরনের সার্থকতা। একজন শিক্ষক হিসেবে এটি বড় সফলতা যে তার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে। এ অর্জনের পেছনে বাবা-মায়েদের অবদান কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আয়োজকরা এ ধরনের সুযোগ করে দেওয়ায় আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার বার্তা হলো-কর্মজগত শিক্ষাঙ্গণের তুলনায় ভিন্ন। তবে মেধা, পরিশ্রম আর সততা থাকলে যেকোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অঙ্গণে যে কয়েকটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় তার মধ্যে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আয়োজনে অনুষদের শ্রেষ্ঠ গবেষকদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে-এটি সত্যিই অত্যন্ত আনন্দের খবর।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের আয়োজন শুধু শিক্ষার্থী ও গবেষকদের অনুপ্রাণিতই করে না, বিশ্ববিদ্যালয়টির ঐতিহ্যে নতুন মূল্য সংযোজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এই অনুষ্ঠানটি মূলত কিছু শিক্ষার্থী ও সহকর্মীর কৃতিত্বের স্বীকৃতির আয়োজন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা শিগগিরই কর্মবাজারে প্রবেশ করবে। সেখানে সফল হতে হলে কঠোর পরিশ্রম অপরিহার্য। একই সঙ্গে ভাগ্যের ভূমিকার কথাও মনে রাখতে হবে। ক্রমাগত পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সততা থাকলে কর্মজীবনে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। তাই এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।