এলেঙ্গা উন্নয়ন কাজ ও নিরাপত্তা নিয়ে ঈদ যাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা
- আপডেট সময় : ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৮৭ বার পড়া হয়েছে
ঈদুল ফিতরের এক সপ্তাহ আগে থেকে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করবে ঘরমুখো লাখো মানুষ। উত্তরাঞ্চলের ২৩ জেলার যাত্রীদের বড় একটি অংশ চলাচল করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে। এবার ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রশাসনের নানা প্রস্তুতি থাকলেও টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা এলাকায় চলমান উন্নয়ন কাজ ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় সোয়া কোটি কর্মজীবী মানুষ নিজ-নিজ গন্তব্যে যাত্রা করেন। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ২৩ জেলার যাত্রীদের বড় একটি অংশ চলাচল করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে। স্বাভাবিক সময়ে এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ২৫ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও ঈদের সময় হয় দুই-তিন গুণ। প্রতিবছরই ঈদযাত্রায় এই মহাসড়কে থাকে যানজট ও ভোগান্তি। অনেক সময় ফিটনেসবিহীন বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন মালবাহী যানবাহন মাঝপথে বিকল হয়ে পড়লে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।
বর্তমানে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্বপাড় পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। যার ৫০ শতাংশ কাজ এখনো বাকী। এলেঙ্গা এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় সেখানে সড়কের পরিধি কমে গেছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলছে, এ বছর ঈদযাত্রায় এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার রাস্তায় যাত্রীরা চার লেনের সুবিধা পাবে।
অন্যদিকে, মহাসড়কে মাঝেমধ্যেই ডাকাতি, শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মতো ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় সাধারণ যাত্রীরা, বিশেষ করে নারী যাত্রীরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
ঈদযাত্রায় মহাসড়কে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে এসপি বললেন, যানজট নিরসনে প্রায় একহাজার পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানান, ঈদযাত্রায় যানবাহনগুলোর নির্বিঘ্নে সেতু পারাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এলেঙ্গা এলাকায় চলমান উন্নয়ন কাজের কারণে সেখানে যানবাহনের গতি কমে গেলে ঈদযাত্রায় সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হতে পারে।






















